কিছুদিন আগেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ আমফান বিধস্ত মানুষদের সাথে দেখা করতে গেলে মাঝ রাস্তাতেই তার গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ প্রশাসন। আজ ফের ওপর দুই বিজেপি নেতা শ্রী সায়ন্তন বসু এবং রাজু সরকারকে ভদ্রেশ্বর থানার ২ কিলোমিটার আগে আটকে দেয় পুলিশ প্রশাসন।

আজ ভদ্রেশ্বর থানায় ডেপুটেশন জমা করতে যাচ্ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শ্রী সায়ন্তন বসু এবং বিজেপি নেতা রাজু সরকার। হুগলী জেলার তেলেনীপাড়ায় বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, করোনা আক্রান্তদের সঠিক চিকিৎসা এবং বিজেপি কর্মীদের ত্রাণ বিলিতে বাঁধা দান এই সমস্ত বিষয়ে আজ পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে যাওয়ার কথা ছিল বিজেপি সাংসদ শ্রীমতি লকেট চ্যাটার্জি এবং সায়ন্তন বসুর। কিন্তু ভদ্রেশ্বরের পথেই পুলিশ তাদের আটকে দেয়। সায়ন্তন বাবু পুলিশকে জানান তারা রাজনীতি করতে নয় বরং শুধুমাত্র তাদের ন্যায্য অভিযোগগুলো দায়ের করতেই ভদ্রেশ্বর থানায় যেতে চান। কিন্তু পুলিশ তাঁর কোনো কথাই গ্রাহ্য করছেনা। এমনকি প্রায় ৯০মিনিট ধরে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্তও তাদেরকে রাস্তায় আটক করে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সায়ন্তন বসু এবং রাজু সরকারের এই পথ আটকানোকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এরপর শ্রী সায়ন্তন বসু ভদ্রেশ্বর থানার আইসি কৌশিক ব্যানার্জিকে থানায় গিয়ে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু আইসি কৌশিকবাবু তা মানতে নারাজ। তিনি বার বার সায়ন্তনবাবুকে বলেন, আপনি কলকাতায় ফিরে গেলেই আমরা ফিরে যাবো। অন্যদিকে বিজেপি সংসদ লকেট চ্যাটার্জিকে থানায় যেতে দেওয়া হয়নি বলেও জানা গেছে। করোনার জেরে রাজ্যে দলীয় রাজনীতির প্রতিদ্বন্দ্বীতা অনেকগুন বেড়েছে। রাজ্য সরকার বারবারই নানান কারণে বিরোধী পক্ষকে মানুষের জন্য কিছু করতে চাওয়া থেকে বিরত রাখতে চাইছেন বলে দাবি বিজেপি নেতাদের।





