BJP was in lead in several municipalities of Bengal: সদ্যই শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিজেপি ৩০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিলেও সেই লক্ষ্যপূরণ হয়নি। ১২-তেই থেমে গিয়েছে বিজেপির জয়ের রথ। তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে ২৯টি আসন। ফের যে মানুষ ঘাসফুলের উপরেই আস্থা রেখেছে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু এবার এমন এক রিপোর্ট সামনে এল, যার ফলে বেশ উদ্বেগ এখন তৃণমূলের অন্দরে (BJP was in lead in several municipalities of Bengal)।
সম্প্রতি শহরাঞ্চলের ভোটের একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে, ভোটের নিরিখে কিন্তু শহরের নানান পুরসভায় এগিয়ে রয়েছে বিজেপিই। রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যের ১২১টি পুরসভার মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৬৯টিতে (BJP was in lead in several municipalities of Bengal) আর দুটিতে এগিয়ে কংগ্রেস। আবার হাওড়া পুরনিগমে তৃণমূল জিতেছে ঠিকই কিন্তু সেখানে পুর পরিষেবায় মানুষ খুশি নয়।
অন্যদিকে আবার কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪৭টি ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগরের মতো কর্পোরেশন এলাকায় বিজেপি আধিপত্য বেড়েছে (BJP was in lead in several municipalities of Bengal)। ফলে কর্পোরেশন, পুরসভা ও শহরাঞ্চলে তৃণমূলের এমন ফলাফল নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ঘাসফুল শিবির।
লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের অন্যতম কারণ যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, তা যেমন বিরোধীরা স্বীকার করেছে, তেমনই আবার সেকথা মেনে নিয়েছে তৃণমূলও। সম্প্রতি এক সভায় দমদমের নবনির্বাচিত সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “মহিলারাই আমাদের জিতিয়েছেন। লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য বস্তির গরিব মহিলারা ঢেলে ভোট দিয়েছেন। গ্রামের সবাই (মহিলা) ভোট দিয়েছেন। কিন্তু শহরের অবস্থাপন্ন মহিলা, যাঁরা বড় ফ্ল্যাটে থাকেন, তাঁরা তৃণমূলকে ভোট দেননি। আবার সংখ্যালঘুরা একশো শতাংশ ভোট দিয়েছেন আমাদের”। অর্থাৎ তৃণমূলও বুঝেছে, শহরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারে নি। আর ফলস্বরূপ শহরাঞ্চলে পুরসভায় তৃণমূলের এমন ভরাডুবি। সদ্য আসা এই রিপোর্ট নিয়ে বেশ সংশয়ের মধ্যে তৃণমূল (BJP was in lead in several municipalities of Bengal)।
প্রসঙ্গত, বাংলায় লোকসভা ভোটের ফল পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে, অন্তত ১৫টি আসনেই মহিলা ভোটেই বাজিমাত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তৃণমূল সরকারের নানা জনমোহিনী, নারীকল্যাণমূলক প্রকল্প এই জয়ে অনুঘটকের কাজ করেছে। উলুবেড়িয়া, কৃষ্ণনগর, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর, বহরমপুর, মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, বালুরঘাট, কোচবিহার, রায়গঞ্জ, আলিপুরদুয়ার ইত্যাদি কেন্দ্রে মহিলা ভোটারদের সিংহভাগই ভোট দিয়েছেন তৃণমূলকে। কিন্তু শহরাঞ্চলে সেভাবে মহিলা ভোট প্রভাব ফেলতে পারেনি (BJP was in lead in several municipalities of Bengal)।





