পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার পর এবার উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাতের দত্তপুকুর। ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটল সেখানকার বাজি কারখানায়। আজ, রবিবার সাতসকালে বারাসাত লাগোয়া দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত নীলগঞ্জ ফাঁড়ির নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মোষপোল পশ্চিমপাড়া অঞ্চলে এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকল বাহিনী। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অন্তত ১০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কংক্রিটের বাড়িটি ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, কোথাও ৫০ মিটার, তো কোথাও ১০০ মিটার দূরে ছিটকে পড়েছে দগ্ধ দেহগুলি। আহতদের বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকাবাসী দত্তপুকুর থানার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, এখানে বোমা তৈরি করা হত। আজ সকালে আচকাই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িতে ধ্বংসের ছাপ স্পষ্ট। তবে কী কারণে বিস্ফোরণ তা এখনও জানা যায়নি।
এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “এসে দেখি দশ থেকে বারোটা বডি পড়ে রয়েছে। দু-তিনজনকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দিলাম। ওখানে বোমের মশলা ছিল। সেটা ব্লাস্ট হয়েছে”।
অন্য এক বাসিন্দার কথায়, “সকাল বেলা বোমের শব্দ শুনতে পাই। সেই শব্দ শুনে ছুটে এসে দেখি বাড়ি ঘর ভেঙে লোক ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। পাশের বাড়িতে একটি শিশু ও এক মহিলা আটকে ছিলেন। আমরা দ্রুত পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করি”।
দমকল মনে করছে, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে এখনও অনেক মৃতদেহ চাপা পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বারাসত জেলা পুলিশের বিশাল বাহিনী। দত্তপুকুর থানার পুলিশ গেলে পুলিশের উপরে চড়াও হয় গ্রামবাসীরা। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পুলিশের মদতেই এমন ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্যে বেআইনিভাবে এই বাজির কারখানা চলছিল। স্থানীয়দের দাবী, দত্তপুকুর থানা ও বারাসত থানার পুলিশ এখান থেকে এসে নিয়মিত টাকা নিয়ে যেত।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!