আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তাল চারিপাশ। চলছে প্রতিবাদ-আন্দোলন। দুর্গাপুজোর মধ্যেও আন্দোলনের ঝাঁঝ কিন্তু কমে নি। গতকাল, মঙ্গলবারই ছিল রানি রাসমনি রোডে চিকিৎসকদের দ্রোহের কার্নিভাল। আর এদিনই ফের একবার রাজ্যে নারী সুরক্ষা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। উদ্ধার হল এক তরুণী বিবস্ত্র দেহ। ধর্ষণ করে কী খুন করা হয়েছে তাঁকে? উঠছে প্রশ্ন!
ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। জানা গিয়েছে, সেখানে এক মহিলা পরিচালিত পুজো মণ্ডপের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে এক তরুণী বিবস্ত্র দেহ। তরুণীর মুখ আগুন পোড়ানো হয়েছে। অনুমান, প্রমাণ লোপাট করার জন্যই এভাবে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তরুণীর মুখ।
এখনও ওই তরুণীর কোনও পরিচয় মেলেনি। পুলিশের অনুমান, তরুণী অন্য জায়গায় খুন করে এই মণ্ডপের কাছে দেহ ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে। দেহটিকে ময়নাতদন্তের জন্য শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এই ঘটনার।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এক মহিলাকে এখানে মেরে ফেলে দিয়ে গিয়েছে। মুখটা পুড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে। সকালবেলা কয়েকজন এসে জানায় যে ওইখানে মেয়ে পড়ে আছে না পুতুল পড়ে আছে বোঝা যাচ্ছে না। তারপর পুলিশ আসল। খুব বেশি বয়স হবে না। মনে হল কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে”।
আরও পড়ুনঃ চিকিৎসকদের অনশনকে সমর্থন করে প্রতিবাদী ব্যাজ পরে পুজো কার্নিভালে ডিউটি পুরসভার চিকিৎসকের, আটক পুলিশের
অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্তন পুলিশ কর্তা অরিন্দম ভট্টাচার্যের কথায়, “এটা এখন মারাত্মক প্রবণতা, কেন মহিলা পরিচালিত পুজো হবে? কেউ যদি মনে করে মুখ পোড়ানোর পর চেনা যাবে না, তাহলে বলে রাখি এখন পুলিশের কাজ হচ্ছে মিসিং লিঙ্ক খুঁজে বের করে ডিএনএ টেস্ট করা। তখনই সবটা জানা যাবে”।





