২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রামমন্দিরের শুভ উদ্বোধন। এদিন দেশজুড়ে পালিত হতে চলেছে অকাল দীপাবলি। আর এর ফলেই মুখে হাসি ফুটল বাংলার কুমোরদের। অকাল দীপাবলির জন্য মাটির প্রদীপের চাহিদা এখন তুঙ্গে। চাহিদা এতই বেশি যে তা মেটাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে কুমোরদের।
রামমন্দিরের উদ্বোধনে পালিত হবে অকাল দীপাবলি। এই কারণে পশ্চিম মেদিনীপুরে বেড়েছে মাটির প্রদীপের চাহিদা। এর জেরে হাসি ফুটেছে ওই জেলার কুমোর পাড়ার কুমোরদের মুখে। এ যেন রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগেই রামের আশীর্বাদ বর্ষিত হচ্ছে তাদের উপর। এখন তো প্রদীপের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের কুমোর পরিবারগুলি।
তবে এই প্রদীপ বানানোতে আবার বাধ সাধছে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া, সঙ্গে আবার বৃষ্টি। ফলে কয়েক দিন ধরে মাটির প্রদীপ তৈরি করতে বেশ সমস্যায় পড়েছেন কুমোররা। গত বছর দীপাবলির সময় যে প্রদীপ তৈরি করেছিলেন, তা অনেকই রয়ে গিয়েছিল কুমোরদের কাছে। সেই মাটির প্রদীপ এখন বিক্রিতে জোর দিচ্ছেন কুমোররা। শহরের দোকানগুলিতে বাড়ছে মাটির প্রদীপের চাহিদা। কিন্তু চাহিদার তুলনায় জোগান কম।
কুমোর পাড়ার এক শিল্পী বিজয় দাস বলেন, “চলতি সপ্তাহে মাটির প্রদীপের জন্য বরাত নিয়ে আসছেন অনেকেই। এটা যদি আগে জানা যেত তাহলে মাটির প্রদীপ বানানোর কাজ শুরু করে দিতাম। হাতে সময় কম, তার উপর আবহাওয়া খামখেয়ালিপনা রয়েছে। সময়ে সেই প্রদীপ দেওয়া সম্ভব হবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছি অনেক সময়ে”।
অন্য এক শিল্পীর কথায়, “যা প্রদীপ ছিল, সেগুলো প্যাকিং করে পাঠিয়ে দিয়েছি”। শিল্পীদের আশা আগামী দু’দিনে আরও প্রদীপ বিক্রি হবে।
শুধুমাত্র প্রদীপই নয়, বাজারে বিক্রি বাড়ছে রাম, সীতা, হনুমানের ধ্বজারও। শিল্পীদের কথায়, “রামমন্দিরের পরোক্ষপ্রভাবই পড়ল আমাদের ওপর। হয়তো রামেরই কৃপা। এখন তো সময়েই আর বিক্রিবাট্টা সেভাবে হয়না। অসময়ে প্রদীপ বিক্রিতে আমাদের সংসারের হাল ফিরল”।





