২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের নিয়ে এবার বড় নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, ফের কী ভবিষ্যৎ হতে চলেছে হাজার হাজার শিক্ষকদের?

Justice Amrita Sinha Ordered in Primary TET Recruitment Case: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি বাতিলের মামলা এখনও ঝুলছে। ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক ও অশিক্ষকদের ভবিষ্যৎ যে কী হতে চলেছে, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। আর এরই মাঝে এবার ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের নিয়ে বড় এক নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Justice Amrita Sinha Ordered in Primary TET Recruitment Case)

টেট উত্তীর্ণদের মধ্যে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বনাম প্রশিক্ষণহীন এমন একটা বৈষম্য আগের থেকেই ছিল। ২০১৪ সালে হয়েছিল টেট পরীক্ষা। সেই নিয়োগ হয় ২০১৬ সালে। সেই টেটের ভিত্তিতে প্রাথমিকে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়। ২০১৬ সালে যাদের নিয়োগ হয়, তাদের অনেকেরই ডিএলএড প্রশিক্ষণ ছিল না। তবে চাকরি পেয়েছিলেন তারা।

কিন্তু পরবর্তীতে শিক্ষকতার ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে জাতীয়   শিক্ষক শিক্ষণ পর্ষদ ডিএলএড প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করে। সেই সময় বলা হয়েছিল, যারা প্রশিক্ষণ না নিয়ে চাকরি পেয়েছেন, সেই সমস্ত শিক্ষকদের চাকরি পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে ডিএলএড প্রশিক্ষণ নিতেই হবে (Justice Amrita Sinha Ordered in Primary TET Recruitment Case)

আর তা নিয়েই ওঠে অভিযোগ। শিক্ষকদের দাবী, সেই নির্দেশের পর এত বছর কেটে গেলেও পর্ষদ প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে কোনও আগ্রহ দেখায় নি। সেই অভিযোগ তুলে মামলা করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে (Justice Amrita Sinha Ordered in Primary TET Recruitment Case)। মামলায় দাবী করা হয়, রাজ্যে এমন কয়েক হাজার শিক্ষক রয়েছেন যাদের ডিএলএড প্রশিক্ষণ নেই।

গতকাল, বৃহস্পতিবার সেই মামলা উঠেছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। এদিন কড়া নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি বলেন, প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের দ্রুতই প্রশিক্ষণের অনুমতি দিতে হবে পর্ষদকে (Justice Amrita Sinha Ordered in Primary TET Recruitment Case)। চলতি শিক্ষাবর্ষেই ওই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে, এমনটাই নির্দেশ বিচারপতির। ডিএলেড কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন তারা, জানিয়ে দেয় হাইকোর্ট।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই টেটের ৪২,০০০ জনের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। চাকরিপ্রার্থীরা আদালতে জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারা প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হন নি। সেই কারণে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত প্যানেল প্রকাশের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বোর্ডের তরফে সেই প্যানেল প্রকাশ করা হয়নি। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মামলাকারী।

সেই মামলায় বিচারপতি নির্দেশ দেন, “পরীক্ষার্থী খারাপ হতে পারেন। কিন্তু আপনি রাজ্যের শক্তিশালী অঙ্গ। আগেও এই ধরনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপনারা প্যানেল প্রকাশ করুন। ডেড প্যানেলই প্রকাশ করুন। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই দেখতে চাই”।

RELATED Articles