টেট নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে জল আদৌ কতদূর এগোবে, এখন সেটাই দেখার। এবার টেট শংসাপত্র-সহ ৪২,৪৫৯ জন প্রাথমিক শিক্ষকের তথ্য তলব করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। গতকাল, মঙ্গলবার রাজ্যের জেলা প্রাথমিক সংসদগুলিতে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গত ১১ই জুলাই এই নির্দেশ জারি করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সচিব রত্না বাগচি।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। ২০১৪ সালে টেটের মাধ্যমে চাকরি পাওয়া সকল প্রার্থীদের নথি তলব করে সিবিআই। সেই অনুযায়ীই জেলা সংসদগুলিকে আগামী ১৩ই জুলাইয়ের মধ্যে ৪২,৯৫৯ জন প্রাথমিক শিক্ষকের সমস্ত তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যেক প্রাথমিক শিক্ষককে নিয়োগপত্র, টেট শংসাপত্র, মাধ্যমিক পাসের শংসাপত্র, বয়সের প্রমানপত্র, শিক্ষক প্রশিক্ষণের প্রমান, জাতিগত শংসাপত্র-সহ ১২ দফা নথি খতিয়ে দেখবে সিবিআই। প্রতিটি নথির ফটোকপিতে স্বাক্ষর করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদে জমা দিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা।
সেই নথি [email protected] ইমেল আইডিতে পাঠাতে হবে। পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ৪২ হাজার ৯৪৯ জন শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। তাই জরুরি ভিত্তিতে এক্সেল শিট-এ নিয়োগ হওয়া সব শিক্ষকের নিয়োগ সংক্রান্ত নথি অনলাইনে পাঠাতে হবে।
২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই মামলা খারিজের আর্জি জানানো হয় রাজ্য সরকারের তরফে। রাজ্যের দাবী, এই ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এর পাল্টা আদালত জানায় যে পরীক্ষার আট বছর পর যদি নিয়োগ হয়, তাহলে আট বছর বাদে মামলা করা যাবে না কেন!






