নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (recruitment scam) উঠে এল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। এই মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে নাম উঠে এল নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ আরেক পার্থর। নাম পার্থ সরকার (Partha Sarkar) ওরফে ভজার। জানা যাচ্ছে, এই পার্থর মাধ্যমেই নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছে যেত।
সিবিআই সূত্রে খবর, পার্থ সরকার প্রথমে নিজে টাকা সংগ্রহ করতেন আর তারপর সেই টাকা পৌঁছে দিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের দাবী, দুর্নীতির কালো টাকা প্রথমে সংগ্রহ করতেন পার্থ সরকার। পরে তা পৌঁছে দিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে।
এই বিষয়ে তেমনভাবে কিছু জানাতে রাজি হন নি পার্থ সরকার। তবে এক সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে তিনি কুন্তলকে চিনতেন না। টাকা আগে কখনও বেহালায় দেখেননি তিনি। পার্থ সরকারের দাবী, নিয়োগ দুর্নীতির পরই তিনি কুন্তলের নাম জানতে পারেন।
পার্থবাবু বলেন, “যে আমার নাম বলেছে তাঁকে আমি জীবনে দেখিনি, চিনিও না। ২০০ শতাংশ দায়িত্ব নিয়ে বলছি উনি বেহালায় একদিনও আসেননি। এই কেসের পর তাঁর নাম শুনেছি”।
প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছেন কুন্তল ঘোষ। তাকে জেরা করছেন ইডি আধিকারিকরা। গতকাল, মঙ্গলবার ইডি তাঁর বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছে। এই চার্জশিটে নাম রয়েছে শিক্ষাসচিব মণীশ জৈন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তৎকালীন পিএ সুকান্ত আচার্য, ও পার্থর পরিষদীয় দফতরের ওএসডি প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জানা গিয়েছে, নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় তদারকি করছিলেন এরা। সূত্রের খবর, টাকার বিনিময়ে যারা চাকরি পেয়েছিলেন, তাদের ইন্টারভিউ সময়ের আগে নেওয়া হয়েছিল।






