ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আর রাজ্য পুলিশের রিপোর্টের উপর ভরসা করতে চায় না সিবিআই। এই কারণে এবারা নিজেরাই তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
জানা গিয়েছে, রাজ্য পুলিশের থেকে এই ঘটনার রিপোর্ট চাওয়া হলেও তা এখনও সিবিআইএর হাতে পৌঁছয় নি। এরই মধ্যে আবার বেলেঘাটায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের দাদা রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ জানিয়েছেন। আর এরপরই সিবিআইয়ের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে তারা জেলায় জেলায় গিয়ে আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন।
আরও পড়ুন- কাবুল থেকে দেশে এল গুরু গ্রন্থসাহিব, উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তা মাথায় করে বয়ে নিলে গেলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
গত সোমবার বেলেঘাটায় নিহত অভিজিৎ সরকারের বাড়িতে যান গোয়েন্দারা। গত ২রা মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপি কর্মী অভিজিৎকে পিটিয়ে খুন করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখার পর অভিজিৎ-এর দাদা বিশ্বজিৎকে নিয়ে বিধাননগরের সিজিও কমপ্লেক্সে যান গোয়েন্দারা।
সিবিআই সূত্রের খবর, সেখানে কলকাতা পুলিশের একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন বিশ্বজিৎ। ডাকসাইটে এক তৃণমূল নেতার নামও উল্লেখ করেন তিনি। এরপরই সিবিআইয়ের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে তারা আর রাজ্য পুলিশের রিপোর্টের আশায় থাকবেন না। জেলায় জেলায় গিয়ে আক্রান্ত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেন তারা।
আরও পড়ুন- কাটমানি রুখতে তৎপর মমতা, ভরসা নেই কর্মীদের উপর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে প্রবেশ নিষেধ পঞ্চায়েত ও ক্লাবের
আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরই ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার ঘটনার তদন্তের জন্য চারটি দল গঠন করেছে সিবিআই। যে জেলাগুলিতে বেশি আক্রান্ত সেখানে আগে যাবে তারা। সেখান থেকে প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরি করে পাঠানো হবে দিল্লিতে। তদন্ত যাতে তাড়াতাড়ি হয়, এই কারণে ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের দিল্লির কর্তারা অখিলেশ সিংকে স্পেশ্যাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের দায়িত্ব দিয়ে এ রাজ্যে পাঠিয়েছেন। কয়লা, গরুপাচার ও নারদ মামলার তদন্তের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।





