ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় এবার নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা আবু তাহেরের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই। তাঁর বাড়ির চারপাশ কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘিরে ফেলেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, আবু তাহেরকে একাধিকবার তলব করেছে সিবিআই। কিন্তু তিনি প্রত্যেকবার সেই তলব এড়িয়ে গিয়েছেন।
সেই কারণে সিবিআই হলদিয়া মহকুমা আদালতে আবু তাহের-সহ তিন তৃণমূল নেতার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন জানায়। গত সোমবার আদালতের তরফে এই আবেদন মঞ্জুর করা হয়। এরপরই আজ, বৃহস্পতিবার সকালে সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল পৌঁছয় আবু তাহেরের বাড়িতে।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারি নিয়ে একদিকে রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল হয়ে রয়েছে। এমন আবহে এবার নন্দীগ্রামের তিন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে সিবিআই। সিবিআই-এর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নন্দীগ্রামের তিন তৃণমূল নেতা আবু তাহের, সেখ খুশনবি এবং সেখ আমানুল্লার বিরুদ্ধে হলদিয়া আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। জানা গিয়েছে, সিবিআই-এর হলদিয়ার অস্থায়ী দফতর সিপিটি গেস্ট হাউসে তাদের ডাকা হয়েছিল। কিন্তু আবু তাহের সেই তলব এড়িয়ে যান।
উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় নন্দীগ্রামের ১২ জন তৃণমূল নেতাকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করেছে সিবিআই। গত প্রায় এক বছর ধরে জেলবন্দি রয়েছে তারা। জানা গিয়েছে, সেই একই মামলাতেই সিবিআই তাহেরদের নোটিশ পাঠায় ও তাদের তলব করে।
বলে রাখি, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরদিন অর্থাৎ ৩রা মে নন্দীগ্রামের একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। সেই সময় নন্দীগ্রামের চিল্লোগ্রাম এলাকায় দেবব্রত মাইতি গুরুতর আহত হন। তাঁকে কলকাতায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু ১৩ই মে চিকিৎসাধীন থাকাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনাতেই সিবিআই তলব করেছিল তাহেরকে।





