টার্গেট ছিল ২০০ কিন্তু সংখ্যা ১০০ও পেরোয়নি। কেন এমনটা হল, সেই কারণ খুঁজতেই এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে রাজ্যের নেতারা। মুকুল রায় দল ছাড়ার পর এটাই হবে প্রথম বিজেপির কার্যকরণী বৈঠক। এই বৈঠকে যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা বেশ প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন, তা বলাই বাহুল্য।
বিজেপি সূত্রের খবর, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চাইছিল রাজ্য নেতৃত্ব। এবার সেই বৈঠক হতে চলেছে। এই বৈঠকে ভারচুয়ালি উপস্থিত থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। সঙ্গে ভারচুয়ালি দেখা মিলতে পারে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, শিবপ্রকাশ প্রমুখের। ভোটের পর থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বদের দেখা মেলেনি বাংলায়। এবার তারা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকেন কী না, এখন সেটাই দেখার। আগামী ২৯সে জুন হতে চলেছে এই বৈঠক।
আরও পড়ুন- নন্দীগ্রাম মামলার বিচারপতি কৌশিক চন্দের যোগ বিজেপির সভায়! মামলা নিরপেক্ষ থাকবে না, দাবী তৃণমূলের
এই বৈঠকে নির্বাচনের সময় রাজ্যের নেতাদের গুরুত্ব না দেওয়ার প্রসঙ্গটি উঠতে পারে বলে জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রে। কেন্দ্রীয় নেতারা যেভাবে রাজ্যের নানান বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছেন, এর জেরে মানুষের মনে অন্যরকম প্রভাব পড়েছে। এর জেরে সমর্থন মেলেনি। এমনকি, নির্বাচনে জেলার নেতাদেরও উপেক্ষা করা হয়েছে বলে দাবী তুলবেন রাজ্যের নেতারা, এমনটাও জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে বৈঠকের পরিস্থিতি যে বেশ উত্তপ্ত হতে চলেছে, তা বেশ স্পষ্ট।
এই কার্যকরণী বৈঠকে যোগ দেবেন নানান জেলার নেতারাও। নানান জায়গায় দলীয় কর্মীদের উপর শাসকদলের হামলার বিরুদ্ধে কেন্দ্র কী ভূমিকা পালন করছে, তা নিয়ে উঠতে পারে প্রশ্ন।
আরও পড়ুন- সাইবার জালিয়াতির ফলে আর খোয়া যাবে না টাকা, জাতীয় হেল্পলাইন নম্বর চালু করল কেন্দ্রীয় সরকার
তবে দলের ভিতরে যে কোনওরকম মনোমালিন্য রয়েছে, তা মানতে নারাজ বিজেপির রাজ্জ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “আমাদের দলে কোনও অন্তর্দ্বন্দ্ব নেই। আমরা একজোট হয়ে লড়েছি। ৩ থেকে বেড়ে ৭৫ জন বিধায়ক পেয়েছে দল। রাজ্যের একমাত্র বিরোধী দল হয়ে উঠেছে বিজেপি। তবে ফল কেন আরও ভাল হল না তার বিশ্লেষণ হবে। সঙ্গে দলীয় কর্মীদের নিরাপত্তার ব্যাপারেও আলোচনা হবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে”।





