আর.জি.কর হাসপাতালের ভয়াবহ ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল গোটা বাংলা।প্রতিবাদের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। কলকাতা রাস্তায় রাস্তায় প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে গণ আন্দোলনের ছবি। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে কেঁপে উঠছে কলকাতার রাজপথ থেকে শহরতলী, গ্রামের অলি-গলি।
এই অবস্থার মধ্যেই নিজের ভঙ্গিতে প্রতিবাদ জানালেন নাট্যকার চন্দন সেন। গণ আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষ। যে প্রতিবাদের জোরালো সুর তুলছে সেই প্রতিবাদের অংশ হতেই তিনি রাজ্যসরকারের দেওয়া পুরস্কার ফিরিয়ে দিলেন তিনি। ২০১৭ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তাকে এই দীনবন্ধু মিত্র পুরস্কার দিয়ে সন্মানিত করেছিল।
তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিককে নাম না করেই তিনি বলেন, “গতকাল শাসকদলের বিধায়ক যে ভাবে প্রতিবাদীরা পুরস্কার ফিরিয়ে দেবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাতে আমি অপমানিত বোধ করছি। আমি রাজ্য সরকারের দেওয়া দীনবন্ধু মিত্র পুরস্কার ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি”। এছাড়াও তিনি পুরস্কারের সঙ্গে প্রাপ্ত ২৫ হাজার টাকাও ফিরিয়ে দেবেন বলে ঠিক করেছেন। এই মধ্যে দিয়েই তিনি প্রতিবাদীদের একজন হয়ে উঠতে চাইছেন।
গত বুধবার নবদ্বীপের তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার প্রধান চন্দনবাবুর নাটক চৈতন্য বিমঙ্গল মঞ্চায়নে আপত্তি করেন। ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগ আসার কারনে উদ্যোক্তাদের শো বাতিল করে দিতে হয়। নবদ্বীপ পুরসভার প্রধান বিমান কৃষ্ণ সাহা জানান নাটকে ‘সচীমাতা মহাপ্রভূর স্ত্রী লক্ষ্মীপ্রিয়াকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেছেন বলে দেখানো হয়েছে। যার কোনও প্রামাণ্য তথ্য নেই। এই নাটক মঞ্চস্থ হলে শহরে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। তাই আমরা নাটক বন্ধ রাখার অনুরোধ করেছি’।
আরও পড়ুনঃ জুনিয়র চিকিৎসকদের নৈতিক জয়! পিছু হটতে বাধ্য হল পুলিশ, সরে গেল ব্যারিকেড, লালবাজারের দিকে যাচ্ছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা
সুত্রের খবর অনুযায়ী নাটকের একটি দৃশ্যে চৈতন্য মহাপ্রভুকে ন্যায়বিচার নিয়ে মানুষের রাস্তায় নেমে আন্দোলন করার কথা বলতে শোনা যায়। বর্তমানে যা তৃণমূলের জন্য অস্বস্তিকর বিষয়। সেই কারণেই নাটকের কাজে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে।





