বিজেপির তরফে টিকিট পাওয়া সবথেকে দরিদ্র প্রার্থী ছিলেন বাঁকুড়ার শালতোড়া গ্রামের চন্দনা বাউরি। বিজেপির নানান তারকা প্রার্থী, তাবড় তাবড় নেতারা যেখানে মুখ থুবড়ে পড়েছিলেন, সেখানে দাঁড়িয়ে বিজেপির হয়ে জিত হাসিল করেন চন্দনা। বিধায়ক হওয়ার পর থেকে তাঁর এখন একটাই লক্ষ্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
তিনি তা করেওছেন। বারবার তাঁকে মানুষের সেবার কাজে দেখা গিয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণের সমস্যার কথা শুনেছেন তিনি। তা সমাধান করার চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন রাজ্যে বড় সমস্যা দেখা গিয়েছে যা হল বন্যা।
আরও পড়ুন- কে হতে চলেছেন বিজেপির পরবর্তী রাজ্য সভাপতি? জেপি নাড্ডার কাছে পছন্দের ৪-৫টি নাম পাঠালেন দিলীপ
অবিরাম বৃষ্টি ও ড্যামের জল ছাড়ার জেরে রাজ্যের নানান জায়গায় বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ভেসে গিয়েছে একাধিক ঘরবাড়ি। হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া। রাজ্য সরকার বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। কেন্দ্র সরকারের তরফেও আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এই বৃষ্টির জেরে বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকাও জলমগ্ন। এই পরিস্থিতিতে দুর্গতদের কথা মাথায় রেখে কাজে নেমে পড়লেন চন্দনা বাউরি। গত বৃহস্পতিবার তিনি বানভাসি বাঁকুড়ার এলাকা পরিদর্শনে যান। সেখানে মানুষদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এদিন মেজিয়া মণ্ডলের রামচন্দ্রপুর অঞ্চলে ব্রিজ পরিদর্শনেও যান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্রিজ বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকলেও সেদিকে কোনও নজর দেয়নি প্রশাসন। অথচ এই ব্রিজের উপর প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষ নির্ভরশীল।
চন্দনা বাউরির কথায়, বাম জমানায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছর আগে এই ব্রিজ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখন এর অবস্থা বেহাল। বিডিওকে বারবার গ্রামবাসীরা আবেদন জানিয়েছেন এই ব্রিজ মেরামত করার জন্য, কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এখন বন্যা পরিস্থিতিতে বিপদ আরও বেড়েছে। নানান জরুরী কাজ, এমনকি গর্ভবতী মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেও নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে গ্রামবাসীদের।
চন্দনা বাউরি আশ্বাস দিয়েছেন যে ব্রিজ মেরামতির জন্য তিনি প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাবেন। তিনি নিজের কাজে এবার সফল হন কী না, এখন সেটাই দেখার।





