একগুচ্ছ অভিযোগ তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। আর্থিক প্রতারণা থেকে শুরু করে অপহরণ, তোলাবাজির অভিযোগে এবার সিআইডির হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর। এক ব্যবসায়ীর থেকে দফায় দফায় কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, তাঁকে অপহরণের অভিযোগে উঠেছে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।
জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগণার এক ব্যবসায়ী দেবব্রত দে-কে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে বারাসাত পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিলন সর্দারের বিরুদ্ধে। ওই ব্যবসায়ী একসময় ত্রিপুরায় থাকতেন। মোটা টাকা হাতানোর জন্যই তাঁকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ।
সূত্রের খবর, সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকে খড়দহের এক আবাসনের পার্কিং জোন থেকে অপহরণ করা হয়েছিল দেবব্রত দে নামের ওই ব্যবসায়ীকে। সেখান থেকে অপহরণ করার পর বারাসাতের এক আবাসনের ফ্ল্যাটে আটকে রাখা হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, এই অপহরণকারীদের মূল পাণ্ডা তৃণমূল কাউন্সিলর মিলন সর্দার।
অপহরণের পর মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবী করা হয় ব্যবসায়ীর। জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় ৬ কোটি ও পরবর্তীতে আরও ৩ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছিল ওই ব্যবসায়ীর থেকে। এই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ ও সিআইডি। আগেই ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে পলাতক ছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর। গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি এলাকায় ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করেন সিআইডি আধিকারিকরা।
আরও পড়ুনঃ ধর্না প্রত্যাহার তবে অতিরিক্ত খাবার-জামাকাপড় নিয়ে বন্যা দুর্গত এলাকায় পৌঁছচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা, তিলোত্তমার স্মৃতিতে চালাবেন মেডিক্যাল ক্যাম্পও
এমন এক ঘটনায় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক শিবির। তৃণমূল কাউন্সিলরের এই গ্রেফতারিকে ঘিরে বেশ চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও বারাসাতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবী, মিলন সর্দারকে নাকি আগেই দল থেকে ছেঁটে ফেলেছে তৃণমূল। দল বিরোধী, সমাজ বিরোধী কার্যকলাপের জন্যই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে দাবী তৃণমূলের।





