ফের সিভিক ভলান্টিয়ারের দৌরাত্ম্য নিয়ে উঠল অভিযোগ। অটোর চেন অফিসে ঢুকে এক অটোচালককে বাঁশ দিয়ে মারধর করার অভিযোগ বছর ৩০-এর এক সিভিক ভলান্টিয়ার ইউনিস আলি ও তার দাদা ঈশান আলির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে গতকাল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারী থানার বুনিয়াদপুর এলাকায়।
এই ঘটনার পরই বুনিয়াদপুর বালুরঘাটগামী ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এলাকাত অটো চালকরা। ঘটনার খবর পেয়ে বংশীহারী থানার আইসি মনোজিৎ সরকারের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশের বিশাল বাহিনী। অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দেয় পুলিশ। এরপর অবরোধ তোলেন অটোচালকরা। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, “আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। কোনও অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে সিভিক ভলান্টিয়ার হন আর যেই হন”।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর বাসস্ট্যান্ডে শনিবার দুপুরে অটোর চেন অফিসে ঢোকেন সিভিক ভলান্টিয়ার ইউনিস আলি এবং তাঁর দাদা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই লাঠি নিয়ে তারা চড়াও হন অটোচালক নাজিমুল হকের উপর। ওই দুই যুবককে আটকাতে গিয়ে রক্তাক্ত হন আরও বেশ কয়েকজন অটোচালক।
অভিযোগ, অটোর চেন অফিসে যখন নাজিমুল হক বসেছিলেন, সেই সময়ই তাঁকে মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন ওই সিভিক ভলান্টিয়ার ইউনিস আলি। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় নাজিমুল হককে ভর্তি করা হয় রসিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানেই বর্তমানে চিকিৎসা চলছে তাঁর।
তবে ওই সিভিক ভলান্টিয়ার ও তার দাদা কেন নাজিমুল হককে এভাবে মারধর করল, তা প্রাথমিকভাবে জানা না গেলেও পরে জানা যায় এই এই ঘটনার সূত্রপাত আসলে গত শুক্রবার বিকেলের। সেদিন ইউনিস আলি ও নাজিমুল হক কোনও কারণে হাতাহাতিতে জড়ায়। সেই রেশ গড়ায় গতকাল, শনিবারে। সিভিক ভলান্টিয়ারের এমন দৌরাত্ম্যের জেরে গোটা এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।





