গত শনিবার প্রকাশিত হয়েছে আসানসোল ও বালিগঞ্জের উপনির্বাচনের ফলাফল। দুটি কেন্দ্রেই ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম আসানসোল কেন্দ্র থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ঘাসফুল শিবির। এর জেরে আরও একটি কেন্দ্র হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির।
উপনির্বাচনের এই ফলাফল নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপি নেতা-নেত্রীরা। ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে। এমন পরিস্থিতিতে এবার আসানসোল থেকে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বের খব উঠে এল।
সূত্রের খবর, আসানসোল কেন্দ্রে উপনির্বাচনে খরচের জন্য কেন্দ্র থেকে যে টাকা পাঠানো হয়েছিল, তা ঠিকঠাক খরচ করা হয়নি। শুধু তাই-ই নয়, সেই টাকা তছরুপ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। সেই অভিযোগের জেরেই কার্যত ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধে আসানসোলের বিজেপি কার্যালয়ে। বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির খবরও মিলেছে।
আসানসোল কেন্দ্রে বিজেপির হারের পর হারের কারণ পর্যালোচনা করার জন্য গতকাল, রবিবার একটি বৈঠক ডাকা হয়। সেই বৈঠকে নির্বাচনের খরচের জন্য আসা টাকা ঠিকমতো ব্যবহার না করে আর্থিক তছরুপ করার অভিযোগ ওঠে। সেই নিয়েই শুধু হয় বিতর্ক, বচসা। সেই বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। আসানসোল বিজেপি কর্মীদের দাবী, জেলা সভাপতি-সহ সবাইকে সরিয়ে দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে।
তবে জেলা সভাপতি দিলীপ দে এই বিষয়ে তেমন কোনও মন্তব্য করতে রাজি হন নি। তিনি শুধু জানান, “সামান্য হই হট্টগোল হয়েছিল। অনেকেই এই হার মেনে নিতে পারছেন না। কর্মীদের মধ্যেও কিছু ক্ষোভ জমা হয়েছে, তা বলতেই আমার কাছে এসেছিল”।
নির্বাচনের টাকা তছরুপের অভিযোগে দিলীপবাবু বলেন, “নির্বাচনে কাজ, প্রচার করার জন্য বুথ ভিত্তিক টাকা দেওয়া হয়েছিল। অনেক কর্মীই সেই টাকা পাননি বা কম পেয়েছেন। এই নিয়ে আমার কাছে অভিযোগ জমা হয়েছে। আর এই অভিযোগ নিয়েই কিছু হট্টগোল হয়েছে মাত্র”।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!