প্রথম দফায় ৩০ আসনে নির্বাচন শেষ। এবার অপেক্ষা দ্বিতীয় দফার। সেই দিনই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে নন্দীগ্রাম। আগামী ১লা এপ্রিল নন্দীগ্রামের ময়দানে মুখোমুখি হবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ও সংযুক্ত মোর্চার মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।
তবেই চাপের মুহূর্তেও প্রচারে খামতি নেই। জোরকদমে পূর্ব মেদিনীপুরে প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আজ অর্থাৎ রবিবার দোল উৎসবের দিনই চণ্ডীপুরে তৃণমূল প্রার্থী সোহম চক্রবর্তীকে পাশে বসিয়ে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতার নজরে ছিল কারা এবং তিনি কী কী বললেন দেখে নিন একনজরে-
দোলের দিন প্রচার উপলক্ষে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, দোলের দিন বিরক্ত করছি আপনাদের। ভোট দোলের মধ্যে পড়লে কী করব? নন্দীগ্রামে আপনাদের কাছেই ঘর ভাড়া নিয়েছি। ভোট পর্যন্ত থাকব। ভোট করিয়েই যাব।
এদিন অভিনেতা চন্ডীপুরের তৃণমূল প্রার্থী সোহম চক্রবর্তী কে নিয়ে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন সোহম অত্যন্ত ভাল ছেলে। ৩৬৫ দিন দলের হয়ে কাজ করে। তাই ওঁকে জিততে দেখতে চাই।
উত্তরপ্রদেশ থেকে বন্দুকধারী গুন্ডা ঢুকিয়ে এনে ভোট করাচ্ছে। ওদের কথায় চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আমরা খাওয়া, থাকার খরচ জোগাচ্ছি। কিন্তু আমাদের ভোটারদেরই মারধর করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সম্মান করি। কিন্তু মনে রাখবেন, উত্তরপ্রদেশের যোগীজির মতো ভোট এখানে হবে না।
এরপর সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্যে নিজের বক্তব্যে বলেন, সংখ্যালঘুদের বলি, হায়দরাবাদ থেকে এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গার সময় কোথায় ছিল? বাংলায় দাঙ্গা হয়নি। আমরা বাংলায় সম্প্রীতি বজায় রেখেছি।
অমিত সাহা এদিন বলেছেন প্রথম দফার ৩০ আসনের নির্বাচনে ২৬টি আসনই নাকি পাবে বিজেপি। সেটাকেই কটাক্ষ করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, বিজেপির এক নেতা নাকি বলেছে, তিরিশের মধ্যে ২৬টা পাবে! ৩০-এর মধ্যে ৩০-ই বলুন না। রসগোল্লা খাবে, রস ছাড়া রসগোল্লা। আর চারটে বাকি রাখলে কেন, সিপিএম-কংগ্রেসের জন্য?
মানুষ আমাদের পক্ষে রয়েছে, যদি না থাকত তাহলে কাঁথিতে সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়ে কেন আমাদের ভোটারদের মারলে? মহিলারা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে গেছে, ভোট দিতে দেয়নি ভগবানপুরে। মায়েদের অভিশাপ লাগবে।





