সূত্র মারফত খবর, এদের মাধ্যমে কয়লা পাচারের টাকা পৌঁছত যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রর অ্যাকাউন্টে। এরপর সেই টাকা প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছত বলে ইডি-র দাবি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কয়লা পাচার তদন্তে ইতিমধ্যেই কলকাতার ৮ জন ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার থেকে পরপর তিনদিন ওই ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে মিলেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ইডি সূত্রে দাবি।
ইতিমধ্যেই কয়লা কাণ্ডের তদন্তে শুক্রবার ১৪টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল ইডি ও সিবিআই। শনিবারও ইডির গোয়েন্দারা ১০টি জায়গায় হানা দেন।
ক্যামাক স্ট্রিটের ‘শান্তিনিকেতন’ বিল্ডিংয়ে এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের অফিসেও তল্লাশি চালায় এনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জানা গেছে, ‘শান্তিনিকেতন’ নামের ওই বহুতলেই রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালীর অফিস রয়েছে।
সেইসঙ্গে একবালপুরে ডায়মন্ডহারবার রোডেও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং অন্য এক অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্র এখনও ফেরার।
আরও পড়ুন:আজ থেকে আমজনতার টিকাকরণ কর্মসূচী শুরু, প্রথম টিকা নিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
এদিকে, কয়লাকাণ্ডে আজ সুপ্রিম কোর্টে লালা-মামলার শুনানি। কয়লাকাণ্ডে অনুপ মাঝি ওরফে লালাই মূল ষড়যন্ত্রী বলে সিবিআইয়ের দাবি।
তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআরের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছেন লালা। সেই মামলারই আজ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।





