সাগরদিঘি উপনির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল। এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হলেন বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। আজ, বৃহস্পতিবার ১৬ রাউন্ড ভোট গণনার শেষে এমনই ঘোষণা করা হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এমন ফলাফল তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়েছে বৈ কী!
রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহার প্রয়াণের ফলে সাগরদিঘিতে উপনির্বাচন হয়। তৃণমূলের তরফে দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করা হয়। বিজেপির হয়ে ভোটে লড়েন দিলীপ সাহা। কংগ্রেসের তরফে প্রার্থী হন বাইরন বিশ্বাস। বামেরা কোনও প্রার্থী না দিলেও কংগ্রেসের প্রার্থীকেই সমর্থন করছিলেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিমরা। এই নির্বাচনে এবার বাইরন বিশ্বাসের জয়ের ফলে কংগ্রেস শিবিরে তো খুশির হাওয়া বইছেই, এর পাশাপাশি উচ্ছ্বাস লাল শিবিরেও।
জানা গিয়েছে, ২২,৯৮০ ভোটে নিজের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়েছেন বায়রন বিশ্বাস। সাগরদিঘিতে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্য়োপাধ্যায় আর তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বিজেপির দিলীপ সাহা। এই ঘটনা গেরুয়া শিবিরের জন্য যে বেশ ভালোই ধাক্কা, তা বেশ স্পষ্ট।
সাগরদিঘির ফলাফল নিয়ে বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী জানান, “এই ফলাফল প্রমাণ করে, কংগ্রেস এখনও ফুরিয়ে যায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাজিত নন। মানুষ নিরপেক্ষভাবে ভোট দিতে পেরেছেন। এর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ধন্যবাদ”।
অন্যদিকে আবার বায়রন বিশ্বাসের এই জয়কে ‘অনৈতিক’ বলে দেগেছে তৃণমূল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন এই জয় সম্পর্কে বলেন, “নীতি-আদর্শহীন অনৈতিক জোট। তার আবার জয়”।





