স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে, প্রতিটি দেশের নাগরিকের মনে দেশের প্রতি ভালবাসা এবং নিরাপত্তার আশা জাগে। এ বছর ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে ব্যারাকপুরের গান্ধী ঘাটে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সাধারণ উৎসবের মধ্যেই, তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথোপকথনে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যার বিষয়টিকে তুলে ধরেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েই রাজ্যপাল জানান, “ভিন রাজ্য গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের যে সকল সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তার দ্রুত নিষ্পত্তি ঘটবে। প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টি নিয়ে আধিকারিকরা উদ্বিগ্ন। আমি আশা রাখি, খুব দ্রুত এই বিষয়ে একটি সমাধান টানা যাবে।” এই আশ্বাসে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যপাল এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখছেন এবং দ্রুত সমাধানের প্রচেষ্টা করছেন।
যদিও রাজ্যপাল সরাসরি পুলিশের অভিযোগ বা নির্দিষ্ট অত্যাচারের বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি, তবে বিষয়টি রাজনৈতিক আলোচনারও কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ভারতবর্ষের স্বাধীনতায় বাংলা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। কিন্তু সেই বাঙালিই আজ সারাদেশে বিজেপি শাসিত রাজ্যে নিপীড়িত।”
এদিন রাজ্যপাল আরও সংযোজন করেন, “আন্দামান সেলুলার জেলে বন্দি তালিকা থেকে বারীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং উল্লাসকর দত্তের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর ভিন রাজ্যে নিপীড়ণ চালানো হচ্ছে। কারণ, তারা বাংলায় কথা বলছে। আমাদের আবার একবার বাংলার স্বাধীনতার জন্য লড়তে হবে। বাংলা ভাষার জন্য লড়তে হবে।” স্বাধীনতা দিবসের মধ্যেও এ ধরনের মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষার সংরক্ষণে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ শুটিং সেটেই নায়িকার ফোন থেকে টাকা চুরি, জগদ্ধাত্রীর সেটে অভিনেত্রী অঙ্কিতার টাকা চুরি করলেন সৌম্যদীপ, ধরা পড়ে অপ্রস্তুত নায়ক!
রাজ্যপালের আশ্বাসে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখালেও সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, “ওনার প্রত্যাশা দেখে ভাল লাগছে। কিন্তু যাদের ভরসায় উনি বলছেন, তাদের নিয়ে বাংলার মানুষের কোনও আস্থা নেই।” এ মন্তব্য পরিস্কার করে দিচ্ছে, যে সমাধানের কথা বলা হচ্ছে, তার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে সন্দেহ বিদ্যমান।





