ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়লে জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারে সুন্দরবনের দক্ষিণরায়। সেইজন্য দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সুন্দরবন এলাকায় র্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন করল বন দফতর।
মুখ্য বন্যপ্রাণী ওয়ার্ডেন রবিকান্ত সিনহা জানিয়েছেন, গোসাবায় একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেখান থেকে জঙ্গলের উপর ২৪ ঘন্টা নজরদারি চালানো হবে। সল্টলেকে বন দফতরের প্রধান কন্ট্রোল রুম থেকেও জঙ্গলের বন্যপ্রাণীদের গতিবিধির উপর নজর রাখা হবে।
রবিকান্ত সিনহা জানান, ‘সংরক্ষিত এলাকা থেকে বাঘ যদি গ্রামে ঢোকার চেষ্টা করে, তাহলে দুটি কন্ট্রোল রুম থেকে আমরা সেটা দেখতে পাব এবং তাদের নিজস্ব বাসস্থানে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নেবে আমাদের র্যাপিড রেসপন্স টিম।’ সজনেখালি এবং ঝড়খালিতে দলগুলিকে মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ঘুমপাড়ানি গুলি, জাল এবং স্পিডবোট থাকছে। পাশাপাশি, গোসাবা, দয়াপুর, বালিদ্বীপ, সজনেখালী, পাখিরালা-সহ আশপাশের এলাকার মানুষজনকে বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে অতি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
কিন্তু আশঙ্কা সত্যি করে যদি সুন্দরবনে ‘আমফান’ আছড়ে পড়ে, তাহলে কী রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের শিকারের সংখ্যায় থাবা পড়বে? সেই জন্য কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? এই বিষয়ে রবিকান্ত বলেন, ‘পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে পদক্ষেপ করা হবে।’ আপাতত সুন্দরবনে ৯৬ টি বাঘ আছে।
এদিকে ‘আমফান’ উৎকণ্ঠায় সুন্দরবনের নদী ও ইচ্ছামতী নদী থেকে তিনটি ভাসমান সীমান্ত পোস্ট বা জাহাজ এবং ৪৫ টি প্যাট্রোলিং বোট সুরক্ষিত জায়গায় পাঠিয়েছে বিএসএফ।






