গত বছরের ঘূর্ণিঝড় যশের স্মৃতি এখনই দিঘাবাসীর মনে দগদগে। সেই ভয়ংকর স্মৃতি এখনও ভুলে যায়নি পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষ। আর এর মধ্যেই ঘনাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র অশনি সংকেত। ঘূর্ণিঝড় যতই এগিয়ে আসছে, ততই আরও ভয় তৈরি হচ্ছে সকলের মনে।
ক্রমেই উত্তাল হচ্ছে সমুদ্র। প্রবল গরমে যারা দিঘায় ঘুরতে গিয়েছিলেন, তারাও সমুদ্রের এমন চেহারা দেখে কার্যত ভীত। সমুদ্রে কাউকে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে বিপর্যয় মোকাবিলা করতে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। জোর কদমে চলছে মাইকিং। দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে বারণ করা হয়েছে। ভয়ে সমুদ্র শহর ছাড়ছেন পর্যটকরা।
আজ, সোমবার দুপুর থেকেই উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢেকে গিয়েছে। দুপুরেই যেন সন্ধ্যা নেমেছে। ঝিরঝির বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। সমুদ্র যেন ফুঁসছে।
পর্যটকরা যাতে সমুদ্রে না নামেন, সেই কারণে পুলিশের তরফে লক্ষণরেখা দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র সৈকতের নানা ঘাটে নুলিয়ারা নজরদারি চালাচ্ছে। পুলিশও নজর রেখেছে।
দিঘা উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসক মানস কুমার মণ্ডল জানিয়েছেন যে সরকারি নির্দেশ মেনেই সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দিঘার সৌন্দর্যের দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। পর্যটকদের দিঘা ছাড়ার ব্যাপারে সরকারি নির্দেশ এখনই না এলেও প্রশাসন সজাগ রয়েছে বলেই জানান তিনি।
বলে রাখি, বিগত কিছুদিন ধরেই দিঘায় বেড়েছে পর্যটকের সংখ্যা। অনেকেই ঘরও পাচ্ছিলেন না। কিন্তু এখন সমুদ্র সৈকতের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে প্রশাসন। সমুদ্র বাঁধের কাজও শেষ হয়নি, এর জেরে আরও বেশি ভয়ে রয়েছে উপকূলবাসী।





