এদিন দিল্লির মৌসম ভবনের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে ‘যশ’। আপাতত পোর্ট ব্লেয়ারের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে ৬২০ কিলোমিটার, পারাদ্বীপের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে ৫৩০ কিলোমিটার, বালাসোরের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ৬৩০ কিলোমিটার এবং দিঘার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ৬২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এই ঘূর্ণিঝড়টি। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ‘যশ’ বুধবার দুপুর নাগাদ ওড়িশার পারাদ্বীপ এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপের মাঝখান দিয়ে স্থলভাগে আছড়ে পড়বে বলে জানা গেছে। ঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণের থেকে দু’চার মিটার বেশি জলোচ্ছ্বাস হবে। তার জেরে ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মেদিনীপুরের নিচু এলাকা ডুবে যেতে পারে।
আরও পড়ুন- অপ্রতিরোধ্য সোনুর মানবসেবা! এবার হাসপাতালে অক্সিজেন প্লান্ট বসাতে চলেছেন তিনি
এই ঝড়ের প্রভাবে রাজ্যজুড়ে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা। পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা ছাড়া ঝাড়খণ্ড, বিহার, সিকিমেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
কাল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হবে।
ল্যান্ড ফলের দিন অর্থাৎ বুধবার ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতার কয়েকটি অংশে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। নদিয়া, বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি জায়গাতেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।





