শীতকাল শেষ হয়েছে। এখন ভরা বসন্ত। তার মধ্যে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) তুষারপাত। ভরা বসন্তে, মার্চের একদম শেষে হঠাৎ তুষারে ঢাকল পাহাড়।চারপাশে পেঁজা তুলোর মতো পুরু আস্তরণে জমেছে বরফ। সাত সকালে সান্দাকফুর মনোরম দৃশ্য। ঘুম ভাঙতেই পর্যটকদের উপহার দিল হিমশৈল। সান্দাকফু চারদিকে শুধু সাদা বরফের আস্তরন। দার্জিলিং (Darjeeling) ঢেকেছে বরফে। চারদিকে সাদা বরফের চাদর। দৃশ্য দেখে বেজায় খুশি পর্যটকেরা।
দোলের ছুটির আগেই অনেকেই হওয়া বদল করতে গেছিলেন দার্জিলিং। কিন্তু এই সময় বরফ পড়বে তা কেউ ভাবতেই পারেনি। দোলে ছুটির মৌসুমে বুক সব হোটেল তখনো বরফ দেখার আশা করেনা পর্যটকরা। তবে হঠাৎই প্রকৃতির অন্য লীলা বরফ পড়ল মার্চ মাসের শেষে।
বরফে ঢাকল সান্দাকফু। সকাল থেকেই সান্দাকফুতে তুষারপাতের জেরে কিছু এলাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঠিক যেন দেখে মনে হচ্ছে জানুয়ারি মাসের কনকনে কোনও সকাল। এদিকে বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। মার্চ মাসে যারা পাহাড়ে গিয়েছে তাঁদের কাছে এটা নিঃসন্দেহে বাড়তি পাওনা।
দার্জিলিঙের সান্দাকফুতে রাত থেকে শুরু হয়েছিল তুষারপাত। তাপমাত্রা একধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা নেমেছে ৬ ডিগ্রিতে। কিন্তু ১ ডিগ্রির মতো অনুভব হচ্ছে। গত রাত থেকে দার্জিলিং পাহাড়ে ঘনঘন বজ্রপাত ও সঙ্গে বৃষ্টি চলেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, দার্জিলিং জেলার পাহাড়ের উঁচু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি তুষারপাত হতে পারে। রাত থেকে ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয় পাহাড়ে। রাত গড়াতেই শুরু হয় তুষারপাত। শিলিগুড়ি, দার্জিলিং শহর থেকে অনেকেই এবার বরফ দেখার জন্য সান্দাকফু যেতে চাইছেন। সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না অনেকেই।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, দার্জিলিং পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত হতে পারে। রাত ৩টে থেকেই তুষারপাত শুরু হয়ে যায়। ভোররাতে চারদিক তুষারে ঢেকে যায়। অকালে তুষারপাতের একাধিক ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শুধু সাদা বরফের আস্তরণ।
উল্লেখ্য, বৃষ্টি, তুষারপাতে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে পাহাড়ি অঞ্চলে জলের সংকট কেটে যাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা। দার্জিলিং এ শীতের পর থেকেই জলের সংকট দেখা দেয় প্রতি বছর। স্থানীয় পৌরসভার পক্ষ থেকে জল সরবরাহ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম বলছেন স্থানীয়রা।





