নির্জন-পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে এক মূক ও বধির যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনাকে আবার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। একদিকে যখন শক্তির আরাধনায় মেতে উঠেছে গোটা রাজ্য, সেই সময়ই অন্যদিকে এক প্রতিবন্ধী মহিলার উপর চলল অকথ্য যৌন অত্যাচার। জানা গিয়েছে, ওই মহিলার বয়স ৪০ বছর। গতকাল, বুধবার দুপুরে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি।
পরিবার সূত্রে খবর, বেশ কিছুক্ষণ পরও ওই মহিলা না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। সেই সময় কাছেই এক নির্জন পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান তারা। সেখানেই গিয়ে দেখেন তাদেরই এক প্রতিবেশী প্রৌঢ় ধর্ষণ করছেন ওই মহিলাকে। প্রৌঢ়ের বয়স প্রায় ৫২ বছর।
ঘটনার বিষয়ে এলাকায় জানাজানি হতেই অভিযুক্তকে আটক করে এলাকাবাসী। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা। অভিযোগ, সেই সময় এক স্থানীয় তৃণমূল নেতা মহিলার পরিবারকে টাকার বিনিময়ে ঘটনাটা মিটমাট করে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি হন নি তারা। পুলিশের দ্বারস্থ হয় মহিলার পরিবার। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত প্রৌঢ়কে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ আচমকাই গায়েব পড়ুয়াদের ট্যাবের জন্য বরাদ্দ লক্ষ লক্ষ সরকারি টাকা, কে সরাল এই টাকা? প্রশ্নবাণে বিদ্ধ বাংলার শিক্ষা ওয়েবসাইট
এই ঘটনা প্রসঙ্গে নির্যাতিতার পরিবারের এক সদস্য বলেন, “আমাদের বড় ননদ সে কথা বলতে পারে না। মানসিকভাবেও সুস্থ নয়। ওকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল আমাদের প্রতিবেশী। তারপর একটা বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে কেউ থাকে না। গাছপালা ভরে রয়েছে শুধু। ওইখানে নিয়ে গিয়ে খারাপ কাজ করেছে। ও পাগল কথা বলতে পারে না। শুধু গোঙাচ্ছিল”। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবী করা হয়েছে।





