আর জি কর কলেজ (R G Kar) ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ ও খুনের কাণ্ডে ও বিচারের সুষ্ঠু দাবিতে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে আছে। ন্যায় বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ থেকে অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)-এর মত তারকারাও, তাদের প্রত্যেকের দাবি, তারা চান আসল দোষীদের যেন সনাক্ত করা হয় ও নির্যাতিতাকে ন্যায় পাইয়ে দেওয়া হয়। সম্প্রতি এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
শনিবার সন্ধ্যায় বীরভূমের বক্রেশ্বরের একটি দলীয় বৈঠকে তিনি বলেন, “আর জি করের গন্ডগোল আজ নয় বহু বছরের পুরনো, আগেও সেখানে বহু চিকিৎসক খুন হয়েছেন। তার মধ্যে মহিলা ডাক্তাররাও রয়েছেন। সেগুলোকে আত্মহত্যা বলে দেখানো হয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে ওখানে যারা এই অপকর্ম করে তারা সব তৃণমূলের সেল্টারে আছে, তৃণমূলের নেতারা তাদের সমর্থন করছে”।
আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে বরখাস্ত করার পরই তাকে যেভাবে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করা হলো সেই বিষয় নিয়ে অনেক আগে থেকেই জনসাধারণ থেকে শুরু করে আদালত প্রশ্ন তুলেছেন, তিনি কী এতটাই প্রভাবশালী যে তাকে এত বড় পুরস্কার দেওয়া হলো বরখাস্ত হওয়ার পরেই! এই সন্দীপ ঘোষের প্রসঙ্গও এদিন উঠে আসে রাজ্য সভাপতির কথায়।
একই সাথে বিজেপি প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আরও বলেন যে, “এই ঘটনা রাজ্যের বুকে একটি কালো দাগ। আমরা আগেই বলেছিলাম, এর পিছনে বিরাট চক্রান্ত আছে যা ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে। অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঁচল দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। তাকে সিবিআই ধরেছে সব সত্য সামনে আসবে”। একই সাথে ডাক্তারদের ওপর যেভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে সেই প্রসঙ্গও উঠে আসে।
একই সাথে তার আরও বক্তব্য, “এখন কোথাও সিপিএম কোথাও বিজেপির ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে দোষীকে সাজা না দিয়ে তথ্য গোপন করা হচ্ছে। সিবিআই যাতে না আসে তার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘর ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। ট্রান্সফার করা হচ্ছে ডাক্তারদের কিন্তু এটা ভুলে গেলে চলবে না, যেমন বাংলাদেশের সাধারণ এগিয়ে এসেছিলো আজ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ এই নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। সত্যকে সামনে না আনলে একদিন এই সরকারকে সরিয়ে দিয়ে মানুষ সত্য সামনে আনবে”।





