বাংলায় ছোট ছোট পাকিস্তান তৈরি হচ্ছে বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস দেশের বিরোধী শক্তিদের জায়গা দিচ্ছে। কেউ মৌলবাদী গোষ্ঠী, আবার কেউ জামাতিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলায় অশান্তি সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতির জন্য তৃণমূল সরকারকে সরাসরি দায়ী করেছেন তিনি। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তাঁর ওপর আক্রমণ করেন দিলীপ। তাঁর মতে, বাংলার ভবিষ্যৎ অন্ধকারময় হয়ে উঠছে, আর এর কারণ শাসক দলের নীতিগত ভুল।
আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর চিকিৎসক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র অসন্তোষ। চিকিৎসক সংগঠন ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্স’ এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা ধর্মতলায় ধর্নায় বসবেন। তাঁদের দাবি, দ্রুত সাপ্লেমেন্টারি চার্জশিট জমা দিতে হবে এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এনওসি দিতে হবে। আগামী ১৭ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধর্না চলবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।
সিবিআই এখনও পর্যন্ত আর জি কর-কাণ্ডে চার্জশিট জমা না দেওয়ায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে। তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ থাকার পরেও চার্জশিট দাখিল না হওয়ায় সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল জামিন পেয়েছেন। চিকিৎসক ও নাগরিক সমাজ এই ঘটনায় হতবাক। তাঁদের বক্তব্য, সিবিআই যদি যথাযথ তথ্যপ্রমাণ পেয়ে থাকে, তাহলে অভিযুক্তরা কীভাবে জামিন পেলেন? এই ঘটনা সিবিআই-এর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে চিকিৎসক সংগঠন। তাঁদের দাবি, আর জি কর-কাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সিবিআই-এর ধীরগতির তদন্তে তাঁরা হতাশ। আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁরা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চান। সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ চলবে। ধর্নার মাধ্যমে তাঁরা এই ইস্যুতে জনমতও গড়ে তুলতে চান।
আরও পড়ুনঃ কালীঘাট মেট্রোয় ‘চুমু’ বিতর্কে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, ভালোবাসার প্রকাশ নাকি অশালীনতা
নাগরিক সমাজেও আর জি কর-কাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সন্দীপ ঘোষ-সহ অভিযুক্তদের জামিনে মুক্তি পাওয়ার ঘটনায় সিবিআই-এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেকে মনে করছেন, এই ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়তে পারে। নাগরিক ও চিকিৎসকদের একাংশের মতে, এই আন্দোলন যদি জোরদার হয়, তবে প্রশাসন ও সিবিআই-এর গাফিলতির জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এখন দেখার, এই প্রতিবাদ কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!