‘যত দোষ, দিলীপ ঘোষ, এবার কোন ঘোষকে ধরবে…’, দিলীপের হারের দায় নেবেন সুকান্ত-শুভেন্দুরা? বিস্ফোরক বিজেপি নেতা

Dilip Ghosh expressed grief at Sukanta and Suvendu: যার হাত ধরেই বলা যায় বঙ্গ বিজেপির উত্থান, যার নেতৃত্বে উনিশের লোকসভা নির্বাচনে অভূতপূর্ব ফল করেছিল বিজেপি। সেই দিলীপ ঘোষই যেন এখন বঙ্গ বিজেপিতে সাইডলাইন হয়ে গিয়েছেন। নিজের জেতা কেন্দ্র মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে তাঁকে আনা হয়েছিল বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে। প্রচারে কোনও খামতি রাখেন নি তিনি। কিন্তু শেষরক্ষাও হয়নি। তাঁকে হারতে হয়েছে তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের কাছে। তাঁর এই হারের দায় কী শুভেন্দু অধিকারী-সুকান্ত মজুমদাররা নেবেন? নাম না করেই এবার বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh expressed grief at Sukanta and Suvendu)

বাংলায় ৩০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু ৩০ তো দূর আগের বারের চেয়েও আসন কমেছে বিজেপির। বাংলায় জেতা আসনও হারিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাদের ঝুলিতে গিয়েছে ১২টি আসন। এই ফলাফলের জন্য সংগঠনকেই দায়ী করলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh expressed grief at Sukanta and Suvendu)। তাঁর কথায়, “বাংলায় বিজেপির সংগঠন একেবারে শুয়ে পড়েছে। জেলা থেকে মণ্ডলে নতুন লোক এসেছে। কিন্তু তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্য়বস্থা করা হয়নি। ফলে কীভাবে নির্বাচন করতে হয়, সেই টিমই তৈরি হয়নি। সংগঠনের দুর্বলতা ছিল, প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, তাই ভোট কমেছে”।

তাঁকে কেন মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুরে আনা হল। দলের এই সিদ্ধান্তের কারণেই কী হার দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh expressed grief at Sukanta and Suvendu)? দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি বলেন, “গ্রামে গ্রামে গিয়ে সংগঠন তৈরি করেছিলাম। সবাই আমার পক্ষে ছিল। দলের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল, তা প্রমাণিত। সংগঠন আছে, লোকও আছে। সেই গতি নেই, সেই জোশ নেই। সামনে যাকে দেখে তার ওপর ভরসা কম। বাড়ি থেকে বেরলে মার খেতে হবে বলেও অনেকে আসে না”।

কেন্দ্র বদল করার নেপথ্যে কে বা কারা ছিলেন? বিজেপি নেতার কথায়, “ভূমিকা তো থাকেই দলেরই। কার ভূমিকা আমি জানি না। খোঁজ করারও কথা নয়। পার্টি বলেছে, আমি শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী। আমায় দল নির্বাচনে লড়তে বলেছে, আমি লড়েছি, জিতেছি- তখন অনেককিছু আমার হাতে ছিল। এখন খালি লড়াইটা আমার হাতে ছিল”(Dilip Ghosh expressed grief at Sukanta and Suvendu)

তাঁর এই হারের দায় কার? নাম না করে সুকান্ত-শুভেন্দুর বিঁধেই দিলীপ (Dilip Ghosh expressed grief at Sukanta and Suvendu) বলেন, “এখন যারা ক্ষমতায় আছেন দায় তাঁদের নিতে হবে। জিতলে মালা পরব আর হারলে দায় নেব না, এটা তো হয় না। যত দোষ দিলীপ ঘোষ! দু-তিনবার তো আমার ঘাড়ে চাপানো হল, এবার কোনও ঘোষকে পাওয়া যায় দেখি”।

RELATED Articles