Dilip Ghosh expressed grief on decreasing seats of BJP: তাঁকে এবারের লোকসভা নির্বাচনে নিজের পরিচিত গড় থেকে সরানো হয়। অপরিচিত জায়গা থেকেও জোরকদমে প্রচার করেছেন তিনি। কোনও খামতি রাখেন নি। কিন্তু শেষবেলায় জিত হাসিল হয়নি। বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থীর কাছে হেরে গিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। এবার এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ বিজেপি নেতার (Dilip Ghosh expressed grief on decreasing seats of BJP)।
১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে দারুণ ফল করেছিল বিজেপি। ১৮টি আসন পেয়েছিল তারা। কিন্তু চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে আসন সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২-তে। সেই নিয়ে দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, “১৯ এর লোকসভায় আমরা ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছিলাম। ২১ এর বিধানসভায় সেটা নেমে ৩৮ শতাংশ হয়। এবার লোকসভাতে ৪১ শতাংশ তো পার হওয়া উচিত ছিল। সেটা কমে গেল তো! আবার ৩৮ এ ফিরে এল! এটাই তো পর্যালোচনার বিষয়। ভোট কমল কেন” (Dilip Ghosh expressed grief on decreasing seats of BJP)?
এবারের নির্বাচনের আগে একাধিক সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তা সত্ত্বেও কেন বাংলায় বিজেপির আসন কমল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh expressed grief on decreasing seats of BJP)। তাঁর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী সব জায়গায় প্রচারে গেলেন। এত সাংসদ বিধায়ক ছিল। বলছে সংগঠন বেড়েছে। তাহলে ভোট কমল কেন? ভাবার দরকার আছে”।
বিজেপিতে নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। সেই প্রসঙ্গকেই উস্কে দিয়ে এদিন দিলীপ বলেন, “আমি চিরদিন কর্মীদের সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু পার্টির প্রোগ্রামে আমি ৪ বছর ধরে যাই না। আমাকে ডাকেও না। আমার মতামতও নেয় না” (Dilip Ghosh expressed grief on decreasing seats of BJP)।
কেন তাঁকে ডাকা হয় না, সেসবের পর্যালোচনা করা দরকার বলে দাবী দিলীপের। তিনি এও বলেন, “কি সব যুক্তি দেওয়া হয়েছে। আমি নাকি মেদিনীপুরে দাঁড়ালে হেরে যাব। কারণ ওখানে নাকি কুরমিরা আমাদের বিরুদ্ধে। যেখানে কুরমি ভোট বেশি সেই পুরুলিয়া আসনে বিজেপি জিতেছে। আমার বিরুদ্ধে কুরমিদের খ্যাপানো হয়েছিল। আমাকে সরানোর জন্য এটা করা হয়েছিল” (Dilip Ghosh expressed grief on decreasing seats of BJP)।
দিলীপের প্রশ্ন, “এর পিছনে কী আছে? এসব কেন করা হয়েছে এগুলো ভাবতে হবে। কিছু তো একটা ব্যাপার আছে। নাহলে যারা পার্টির প্রতিষ্ঠিত নেতা তাদের কি হারানোর জন্য পাঠানো হয়েছিল? লোকে হারা আসন জেতার জন্য প্ল্যানিং করে। এতো দেখছি জেতা আসন হারাবার জন্য প্ল্যানিং হয়েছে বলে মনে হচ্ছে”।
এরপরই হুঁশিয়ারি শানিয়ে তিনি বলেন, “আমি পার্টির কর্মীদের সঙ্গে থাকি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকি। আমি যতদিন রাজনীতি করব আমি এরকমই থাকব। রাজনীতি ছেড়ে দিলে অন্যভাবে মানুষের পাশে থাকব। মানুষের কাছে যেতে কেউ কাউকে আটকাতে পারে না” (Dilip Ghosh expressed grief on decreasing seats of BJP)।





