বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) দায়িত্ব বাড়ল এবার। বাংলা (West Bengal) ছাড়াও আরও ৮টি রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হল তাঁকে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্জ্য রাজনীতিতে চর্চা শুরু হয়েছে।
এখন বিজেপির লক্ষ্য হল ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। এই কারণে সংগঠনকে আরও মজবুত করতে দেশজুড়ে ‘বুথ সশক্তিকরণ অভিযান’ শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হল দিলীপ ঘোষের উপর। বাংলা ছাড়াও আরও যে ৮টি রাজ্যের দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়েছে, সেগুলি হল – ঝাড়খণ্ড, আন্দামান, বিহার, মেঘালয়, ওড়িশা, অসম, মণিপুর, ও ত্রিপুরা।
হঠাৎ দিলীপ ঘোষকে কেন রাজ্যের বাইরে আরও ৮ রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হল, তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একুশের নির্বাচনে বিজেপি বাংলাকে পাখির চোখ করলেও, বিধানসভা থেকে শুরু করে উপনির্বাচন, সবক্ষেত্রেই গেরুয়া শিবিরের ভরাডুবি হয়েছে। সুকান্ত মজুমদার নতুন রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে দিলীপ ঘোষের। রাজ্য নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্নও তুলেছিলেন তিনি।
এর আগে একাধিকবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করতে যান দিলীপ ঘোষ। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বঙ্গ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ হিসাবে অযোগ্য ও অদক্ষ বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ।
এদিকে, মে মাসের শুরুতেই বাংলায় আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বঙ্গ বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেই সময় অমিত শাহের পাশে সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারীদের দেখা গেলেও দেখা মেলেনি দিলীপ ঘোষের। সেই নিয়েও কম আলোচনা হয়নি।
আর এবার বাংলার বাইরে আট রাজ্যের দায়িত্ব পেলেন দিলীপবাবু। এইভাবে তাঁকে বঙ্গ রাজনীতি থেকে সরানোর কোনও পরিকল্পনা করা হচ্ছে নাকি গেরুয়া শিবিরে তাঁর পদোন্নতি হল, এখন সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। যদিও এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষের থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি এখনও।






