Dilip Ghosh is Trying to Blackmail the Party: একে একে নিজের সমস্ত পদই হারিয়েছেন তিনি। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের পর একমাত্র সাংসদ পদও খুইয়েছেন। এই মুহূর্তে তিনি দলের স্রেফ এক সাধারণ নেতা ছাড়া কিচ্ছু নন। লোকসভা ভোটে হারের পর বারবার দলীয় নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুলেছেন তিনি। আর এর জেরে তাঁর দলকে বেশ অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে। এরই মধ্যে দিলীপ ঘোষ বলেছেন যে দলে কোনও পদ না পেলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। আর তা নিয়ে এই মুহূর্তে দলে ব্যাপক চর্চা (Dilip Ghosh is Trying to Blackmail the Party)।
কী বলেছিলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh is Trying to Blackmail the Party)?
দিলীপ ঘোষের কথায়, “আমি অন্য কারও মতো ‘প্রাক্তন’ পরিচয় নিয়ে কাজ করতে পারব না। যত ক্ষণ দলে রয়েছি, তত ক্ষণ কাজ করে গেলেও একটা সময়ের পরে তো সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। রাজনীতি ছাড়াও সমাজের অনেক কাজ রয়েছে”।
তাঁর সংযোজন, “আরও কিছু দিন অপেক্ষা করব। দলের পক্ষে কিছু জানানো হয় কি না, তার অপেক্ষায় রয়েছি। তবে কাজ করে যাচ্ছি। আজও আমার নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে অপেক্ষার তো একটা সীমা থাকে। এবার দল নির্দিষ্ট কাজ না দিলে রাজনীতিকে টা টা-বাই বাই বলে দেব”।
তাঁর এহেন মন্তব্যের জেরে চর্চা শুরু হতেই দিলীপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তিনি আড্ডার মধ্যেই সাংবাদিকদের কয়েকজনের মধ্যে এমন কথা বলেছিলেন। প্রকাশ্যে কিছু ঘোষণা করার কথা ভাবেন নি তিনি। তাহলে বিজেপি ছেড়ে কী অন্য দলে যেতে পারেন তিনি। এই প্রশ্নে দিলীপের জবাব, “রাজনীতি আমার পেশা নয়। এমন নয় যে রাজনীতি আমাকে করতেই হবে। ৪০ বছর ধরে সামাজিক কাজ করে আসছি। তারমধ্যে রাজনীতি মাত্র ১৫ বছর করছি। আরএসএস বলেছিল বলে আমি বিজেপিতে কাজ করতে এসেছি। অন্য দলে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না” (Dilip Ghosh is Trying to Blackmail the Party)।
তবে দিলীপ এই রাজনীতি ছাড়ার মন্তব্য এমন একটা সময়ে করেছেন, যে সময় রাজ্যের বিজেপি সভাপতি আসন বদল হতে চলেছে। সুকান্ত মজুমদার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ায় তিনি আর এই পদে থাকবেন না। ফলে এখন খোঁজ চলছে নতুন রাজ্য বিজেপি সভাপতির। আর এই মুহূর্তে দিলীপ ‘পদ না পেলে রাজনীতি ছাড়ব’ এমন মন্তব্য করায় দলের অনেকেই মনে করছেন যে তিনি হয়ত দলকে ব্ল্যাকমেল করছেন (Dilip Ghosh is Trying to Blackmail the Party)।
যদিও দলের একটা বড় অংশ দিলীপকেই ফের রাজ্য সভাপতি পদে চায়। আর নিচুতলাতেও দিলীপের ভালো গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। কিন্তু বাধ সাধতে পারে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ বারবার বিতর্কিত মন্তব্য করে তিনি দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন। ফলে তাঁকে আফউ রাজ্য সভাপতির পদে ফেরাবে কী না দল, তা নিয়ে বেশ ধন্ধ রয়েছে (Dilip Ghosh is Trying to Blackmail the Party)।





