এমনিতে তিনি মাঝেমধ্যেই নানান কটাক্ষ করে খবরের শিরোনামেই থাকেন। মাঝেমধ্যে নানান বেফাঁস মন্তব্যও করে ফেলেন বৈ কী! তবে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে তাঁর মেজাজ থাকে বেশ ফুরফুরে। সেই সময় সাংবাদিকদের সঙ্গেও বেশ মন খোলা ভাবেই কথা বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আজ, বৃহস্পতিবারও এর অন্যথা হল না। তাঁর কটাক্ষে উঠে এল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রসঙ্গ।
এদিন মমতাকে কটাক্ষ শানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসঙ্গে ৫০০ পুজোর উদ্বোধন করছেন। এবার তাঁর নাম গিনিস বুকে উঠবে। দিলপের কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী একমাত্র ওটাই করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গের সব ক্লাবকে ৬০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। ভার্চুয়ালি বা ফিজিক্যালি উদ্বোধন করবেন। এই করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গিনিস বুকে নাম উঠবে”।
সুরুচি সংঘের পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে ঢাক বাজিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রস্নগেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না বিজেপি নেতা। বললেন, “কেউ আর তার ঢাক বাজাচ্ছে না। তাই নিজের ঢাক নিজেকেই পেটাতে হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে। ফ্যাসিস্টদের অন্তিম পরিণতি এরকমই হয়”
এদিন বাংলার মানুষদের উদ্দেশে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “খন আর করোনার বিপদ নেই। সবাই উৎসাহের সাথে পুজো দেখুন। এ বছর খুব ধুমধাম করে পুজো হচ্ছে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যারা আন্দোলন করছেন তাদের কাছে অনুরোধ আপাতত আন্দোলন বন্ধ রেখে পুজোর আনন্দে মেতে উঠুন। লড়াই তো সব সময় করতেই হবে”।
সকলকে শুভেচ্ছা বার্তা জানানোর পাশাপাশি এদিন তৃণমূল নেতাদেরও কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, “কিছু মানুষ জেলে রয়েছেন। তারা আর বের হতে পারবেন না। মানিকবাবু আবার পালিয়ে দিল্লি চলে গেছেন। যারা মানুষকে কষ্ট দিয়েছে তারা পুজোয় আনন্দ করতে আর পারবেনা”।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!