বঙ্গ রাজনীতির উত্তেজনা ছড়াচ্ছে দেশ জুড়ে। বিধানসভা ভোটের কয়েকমাস বাকি থাকলেও শীতের মরশুমে ভোট জ্বর জাঁকিয়ে বসেছে বাংলায়।
তাই তো দিলীপ ঘোষ বলছেন, “রাজ্য রাজনীতিতে ঐতিহাসিক মাস হিসেবে লেখা থাকবে ডিসেম্বর…”। শাসক-বিরোধীর বাক্-যুদ্ধ এমন চরমে পৌঁছেছে যে শালীনতার সীমা যখন-তখন পার হয়ে যাচ্ছে।
আশঙ্কার হাওয়ায় টলমল করছে তৃণমূল শিবির। শুভেন্দ্র তৃণমূল ত্যাগের পর থেকেই গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে হিড়িক পড়ে গেছে নেতাকর্মীদের শাসকদল পরিত্যাগের।
দলত্যাগীদের বেশিরভাগই এবার ঝুঁকছে বিজেপির দিকে। এই পরিমাণ লোকের আগমনে বেকায়দায় পড়েছে বিজেপি নেতৃত্বও।
আজ পিংলায় কর্মিসভায় বক্তব্য রাখেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রের নতুন কৃষি বিলের স্বপক্ষে আওয়াজ তোলেন এই বিজেপি নেতা।
নতুন কৃষি আইনের পক্ষে সওয়াল করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কৃষকদের স্বার্থে এই আইন।’ কাটমানি প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘আলু-পেঁয়াজের দাম বেড়ে গিয়েছে। তাই দিদিমনি এখন কাঁচকলা খাচ্ছেন। প্রতি কুইন্টাল ধানে ৫০০ টাকা কাটমানি, প্রতি কিলো আলুতে ৪০ টাকা কাটমানি। প্রতি কিলো পেঁয়াজে ৭০-৭৫ টাকা কাটমানি। কে খাচ্ছে? ভাইপো? কোথায় যাচ্ছে? কালীঘাটে। সবাই সব জানে।
আর এই কাটমানিখোর দের হত থেকে চাষিদের মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী এই নতুন কৃষি আইন বানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, আজ ‘কিষাণ কল্যাণ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন কৃষি আইনের স্বপক্ষে কথা বলে দেশের বিক্ষুব্ধ কৃষকদের প্রতি বার্তা দেন।





