মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপালের পত্রযুদ্ধে রাজ্যপালকে নিয়ে করা ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্যের পাল্টা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এই দিনই জগদীপ ধনখড়কে রাজভবন ছেড়ে বিজেপির পার্টি অফিসে গিয়ে বসার কথা বলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন রাজ্যপাল কোথায় বসবেন সেটা ওঁকে ঠিক করে দিতে হবে না। তা দেখার জন্য লোক আছে দিল্লিতে।
এই টুকু বলেই অবশ্য থামেননি দিলীপবাবু। বিজেপির রাজ্য ব্রিগেডের মুখ বলেন, একবছর পর ওঁরা কোথায় নিজেরা বসবেন তা ঠিক করে রাখুন। এদিন মুখমন্ত্রী-রাজ্যপাল চিঠি বিনিময়ের মধ্যেই মাঠে নামে তৃণমূল। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে রাজভবনে না বসে বিজেপির পার্টি অফিসে গিয়ে বসবার পরামর্শ দেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কলকাতার মেয়রের অভিযোগ, রাজ্যপাল রাজ্য বিজেপি সভাপতির মতো কথা বলছেন।
মুখ্যমন্ত্রীকে করা রাজ্যপালের টুইটে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় রাজ্যের তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। টুইটে তিনি লেখেন, করোনা নিয়ে তথ্য গোপনের কাজ বন্ধ করুন। স্বচ্ছতা বজায় রাখুন। ৩০শে এপ্রিলের করোনা বুলেটিনে বলা হল রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭২। কিন্তু ১লা এপ্রিল কোনও বুলেটিন প্রকাশ করা হল না। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন বলছে, এই সংখ্যাটা আসলে ৯৩১। যদি এর মধ্যে কারও মৃত্যু হয় বা কেউ সুস্থ হয়ে ওঠেন তাও এই দুটি সংখ্যা কখনও মেলার নয়। এই সময় সমন্বয়ের অভাব ভয়ঙ্কর। শকুনের মতো মৃতদেহের মতো রাজনৈতিক দলগুলিকে সরিয়ে দিন। সকলকে একজোট করুন। সকলকে স্পষ্ট করে সেই তথ্য দিন।
যার পরিপ্রেক্ষিতে ফিরহাদ বলেন, যে কথাটা রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলছেন সেই কথাই রাজ্যপাল বলছেন। রাজনৈতিকভাবে মোটিভেট হয়ে গিয়েছেন উনি। রাজভবনটা উনি রাজ্য বিজেপির সদর দফতর হিসেবে ব্যবহার করছেন। রাজ্যপাল অনৈতিক কাজ করছেন। রাজভবনের বসে এভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করতে পারেন না তিনি। রাজ্যপাল বরং রাজভবন ছেড়ে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে এসে বসুক। সেখান থেকেই তিনি কাজ করুক।





