“চাপের ঠেলায় রোগা হয়ে গেছে!” ভোটের বাংলায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে বেলাগাম আক্রমণ দিলীপের

বঙ্গ রাজনীতির উত্তেজনা ছড়াচ্ছে দেশ জুড়ে। কয়েকমাস বাকি থাকলের শীতের মরশুমে ভোট জ্বর জাঁকিয়ে বসেছে বাংলায়।
তাই তো দিলীপ ঘোষ বলছেন, “রাজ্য রাজনীতিতে ঐতিহাসিক মাস হিসেবে লেখা থাকবে ডিসেম্বর…”।
শাসক-বিরোধীর বাক্-যুদ্ধ এমন চরমে পৌঁছেছে যে শালীনতার সীমা যখন-তখন পার হয়ে যাচ্ছে। তৃণমূনেত্রীকে সরাসরি ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি বলেন, দেখেছেন চাপের ঠেলায় কেমন রোগা হয়ে গেছে। আর কদিন পরই নতুন বছর। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। 
তবু আশঙ্কার হাওয়ায় টলমল করছে তৃণমূল শিবির। গতকাল শুভেন্দুর বিধায়ক পদে ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সম্পর্ক প্রায় শেষ হয়ে গেছে তৃণমূলের।
দলে থেকে দলের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ করছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। গতকালই দলত্যাগী নেতাদের বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করেছিলেন মমতা তৃণমূলনেত্রী।
এইপ্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতির পাল্টা প্রশ্ন, কংগ্রেস থেকে যখন ওঁরা তৃণমূলে এসেছিলেন, বিশ্বাসঘাতকতা হয়নি?
গতকাল‌ই, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। দিলীপ বলেন, কলকাতার অবস্থা ইরাক, ইরানের মতো হয়ে গেছে।
এরপর‌ই, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কু-কথা নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় দিলীপ ঘোষ জানান, যে ধরনের রাজনীতি শুরু করেছেন, তার জবাব মিলবে। কে ষাঁড়, কে মোষ কে জানে?
এক‌ইসঙ্গে রাজ্যকে আক্রমণ করেন পুরভোট প্রসঙ্গেও। বলেন শুধু কলকাতায় কেন‌ও, দম থাকলে সবজায়গায় পুরভোট করুন। এক বছরের বেশি নির্বাচন বকেয়া। কাশ্মীর, হায়দরাবাদে নির্বাচন হতে পারে, এখানে কেন‌ও হবে না? নেহাত লোকসভা আর বিধানসভা ভারতের নির্বাচনী কমিশনের অধীনে। দিদিমণির হাতে থাকলে বিধানসভা নির্বাচন আটকে দিতেন।
এরপর আক্রমণের ঝাঁঝ আর‌ও বাড়ান দিলীপ।

সরকারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প থেকে মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গ। একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেছেন দিলীপ ঘোষ। কলকাতা পুরসভার কাজে গাফিলতির অভিযোগও তুলেছেন তিনি। দিদিমণি ঢপের চপ দিয়েছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড।

ওই কার্ড নিয়ে হাসপাতালে গেলে বলবে, এখান থেকে বেরিয়ে যা। আর চাষি যে আলু ৫ টাকায় বিক্রি করে, তা কিনতে হচ্ছে ৪৫ টাকায়। সমস্ত কাটমানি কালীঘাটে যাচ্ছে। আমফানের পর কোনও কাজ করেনি। একটা গাছ সরাতে পারে না।

RELATED Articles