ভোটযুদ্ধ জমজমাট! তৃণমূলের ‘ছোট নেতাদের জন্য আলিপুর জেলে ব্যবস্থা করব’, ‘বড় নেতাদের’ ভুবনেশ্বর জেলে, হুঁশিয়ারি দিলীপের

আশপাশ কাঁপিয়ে বঙ্গে ভোট আসছে! ক্রমে জোরালো হচ্ছে শাসক-বিরোধী গলার আওয়াজ। বিভিন্ন ইস্যুতে ক্রমাগত আক্রমণ। নিত্যদিন নতুন নতুন। দলবদল-রং বদল!
ভাষার শালীনতা বাউন্ডারি পেরোচ্ছে রোজ।
শাসকদলের প্রত্যেকটা খারাপ কাজকে আতস কাঁচের নিচে ফেলে গুনাগুন বিচার করে আক্রমণ চালাচ্ছে বিরোধী বিজেপি।
ফের আরও একবার তৃণমূল নেতাদের নিশানা করলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
বললেন, তৃণমূলের একমাত্র প্রতিষেধক পদ্ম শিবির বিজেপি।
স্পষ্ট জানালেন রাজ্যে বিজেপির হাত ধরেই বদল আসবে, বদলাও হবে।
অর্থাৎ হিংসার রাজনীতি থেকে সরলেন না দিলীপ‌ও।
বুধবার ডায়মন্ড হারবারের কুলপিতে দাঁড়িয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন ক্ষমতায় আসলে ‘লুঠের টাকা হজম’ করতে দেবে না বিজেপি। ‘ছোট নেতাদের জন্য আলিপুর জেলে ব্যবস্থা করা হবে’, ‘বড় নেতাদের’ স্থান হবে ভুবনেশ্বর জেলে।
বাংলায় ভোট হতে এখনও কয়েক মাস বাকি, কিন্তু তর্জন-গর্জনে কোন‌ও খামতি নেই!
ভোট যত এগোচ্ছে, বিজেপি-তৃণমূল তরজাতেও তত‌ই রং লাগছে ।
আর এইসব ডামাডোলের মধ্যেই তৃণমূল ছেড়ে একাধিক নেতার বড় মাপের নেতার গেরুয়া  শিবিরে নাম লেখানো আলাদা করে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়দের। এদিন রাজ্য বিজেপির সভাপতি ব্যঙ্গের সুরে বলেন, “সকালে এক ভাই বলছে আমি যাব, তাঁকে বুঝিয়ে রাজি করলেও বিকেলে আবার আরেক ভাই বলছে আমি যাব। তৃণমূলে এখন বাড়ি ছাড়ার কম্পিটিশন লেগেছে।”
কুলপির করঞ্জলীর দামোদরপুরের আইটিআই কলেজ মাঠে দাঁড়িয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, “তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য থেকে সাংসদ, সকলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই আবার ভুবনেশ্বর ঘুরে এসেছেন। এক মন্ত্রী তো এক বছর জেলের ভাতও খেয়ে এলেন। এখনও অনেকের নাম সিবিআইয়ের লিস্টে রয়েছে। সিবিআই এদেরকে এক এক করে ডাকছে, আর এঁটো করে ছেড়ে দিচ্ছে।” এসবই নাকি তৃণমূল নেতাদের ‘রক্তচাপ’, ‘সুগার’ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ঘন ঘন হাসপাতালে ছুটছে হচ্ছে তাঁদের।
তবে এখানেই থামেননি দিলীপ, বাংলায় বিজেপি সরকার যে আসছে আত্মবিশ্বাসের সুরে তা জানিয়ে দিলীপ ঘোষের হুমকি, “সরকারে এলে তদন্ত হবে, সব জেলে যাবে। ছোট নেতারা আলিপুর জেলে যাবে, বড় নেতারা ভুবনেশ্বর জেলে যাবে। ”

RELATED Articles