চলতি বছরে ভারত-চীন নিম্নগামী সম্পর্কের কথা প্রায় সবারই জানা। এখনও পর্যন্ত বারংবার আলোচনায় বসা সত্ত্বেও সমস্যা থেকে মুক্তির কোনরকম সমাধান সূত্র পাওয়া যায়নি।
গত প্রায় আট মাস যাবৎ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধের পরিস্থিতিতেই বুধবার প্যাংগং সরোবরের দক্ষিণ তীর-সহ পূর্ব লাদাখের বেশ কিছু অঞ্চল পরিদর্শন করলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে।
গতকাল সকাল ৮.৩০-এ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনা অবস্থানে পৌঁছে যান সেনাপ্রধান। তিনি ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস’ নামে জনপ্রিয় সেনাবাহিনীর ১৪ কর্পস এবং উধমপুরের নর্দার্ন কম্যান্ড বাহিনীর অংশবিশেষের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।
এ দিন লাদাখের সীমান্ত সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বিমানঘাঁটিতে পৌঁছলে সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান লেহতে বহাল ১৪ কর্পস-এর কম্যান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পি জি কে মেনন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারতীয় সেনার প্রস্তুতি সম্পর্কে সেনাপ্রধানকে অবগত করেন উপস্থিত সামরিক আধিকারিকরা।আজকে সেনাপ্রধানের সফর তালিকায় ছিল প্যাংগং সরোবরের দক্ষিণ তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত রেচিন লা গিরিপথ, যেখানে গত ২৯-৩০ অগস্ট চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে সংঘাতের পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে ভারতীয় সেনা। গিরিপথ এলাকায় তীব্র শীতের মোকাবিলায় সেনা সদস্যদের বাসস্থানও তিনি ঘুরে দেখেন। একই সঙ্গে তাদের প্রতি সহিষ্ণুতা প্রকাশ করে মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করেন।
এরপর নারভানে সেনাবাহিনীর ঘাঁটি ফরোওয়ার্ড বেস তারা-ও পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় কম্যান্ডার ও জওয়ানদের সঙ্গে আলোচনার পরে তাঁদের অটুট মনোবল ও প্রস্তুতির তারিফ করেন। জওয়ানদের বড়দিনের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে কেক ও মিষ্টিও বিতরণ করেন জেনারেন নারাভানে। সন্ধ্যায় তিনি নয়া দিল্লি ফিরে আসেন।





