শুধু যে উত্তরবঙ্গে তৃণমূল নেতারা বেফাঁস মন্তব্য করছেন তা নয়, যত বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসছে ততই তৃণমূল সম্পর্কে ভুলভাল মন্তব্য করেছেন কলকাতা তৃণমূল নেতারাও। এবার দলীয় সভায় দমদমের সাংসদ সৌগত রায় কার্যত মেনে নিলেন যে তৃণমূল সিন্ডিকেট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত!
বিরোধীরা বরাবরই দাবি করে এসেছে তৃণমূল সিন্ডিকেট ব্যবসা করে কালো টাকা ঘরে তোলে।এদিন দমদমের এক কর্মীসভায় সৌগতবাবু বলেন, ‘ইট-বালির ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের মুখগুলো যেন ভোটের সময় সামনে না আসে। মানুষ এই মুখগুলোকে ভালভাবে নেয় না। ভোটের সময় এদের পিছনের সারিতে রেখে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির লোকেদের সামনে রাখতে হবে। এদের বুথে এজেন্ট না করাই ভাল।’ স্বাভাবিকভাবেই তখন সভায় উপস্থিত স্থানীয় বিধায়ক ব্রাত্য বসু, পুরপ্রধান হরিন্দর সিং এবং দমদম বিধানসভা এলাকার ২৭১ টি পার্টের বুথ এজেন্টরা রীতিমতো থতমত খেয়ে গিয়েছেন।
তবে তখনও থামানো যায়নি সৌগত রায়কে তিনি বলে চলেছেন যে,এই সমস্ত সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়। এরা দলে থাকতে চাইলে থাকুন কিন্তু ভোটের সময় যেন দলীয় কর্মসূচিতে এদের ব্যবহার না করা হয়।আর যদি একান্তই ভোটের কাজে ব্যবহার করতে হয় তাহলে মিটিং-মিছিলে পিছনের সারিতে যেন এদের রাখা হয়।প্রতি সময়ে প্রার্থীদের আশেপাশে যেন এদের না দেখা যায়।
স্বাভাবিকভাবেই তার এই মন্তব্য কার্যত এটাই প্রকাশ্যে আনল যে, সিন্ডিকেটের কারবারিরা তৃণমূল দলে বহাল তবিয়তেই আছে। এই প্রসঙ্গে বক্তব্য ব্রাত্য বসুকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, পৃথিবীতে এমন কোনও দল নেই যেখানে গোষ্ঠীদ্বন্দ থাকে না। তবে ভোটের সময় একজোট হয়ে লড়ে জিততে হবে।
স্বাভাবিকভাবেই সৌগত রায়ের মন্তব্য নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি। তাদের দাবি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটা মানুষ তৃণমূলের প্রতি বীতশ্রদ্ধ কারণ দশ বছর ধরে সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।ভোটের আগে এখন সৌগত বাবুর মনে পড়েছে স্বচ্ছ মুখ নিয়ে আসার কথা তবে ভোট নেই আবার শুরু হবে তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজ। কারণে সিন্ডিকেট কারবারিদের থেকেই মোটা টাকা যায় পার্টির ফান্ডে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!