রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। অন্যান্য বছরকে ছাপিয়ে রেকর্ড হারে জিতেছে বিজেপি।
নির্বাচন শুরুর আগে বেশ চাপেই ছিল এবার তৃণমূল বাহিনী। নাগাড়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দলত্যাগ ভয় ধরিয়েছিল শাসকের অন্দরে। কিন্তু ভোট গণনা শেষ হতেই বাংলার ছবিটা বদলে গেল। মমতাময়ী হয়ে উঠল বাংলা। দ্বিগুণ উৎসাহে, আত্মবিশ্বাসে রাস্তায় নামলেন তৃণমূল সমর্থকরা।
বিজেপি কর্মীদের ওপর চলল অবাধ আক্রমণ, রেহাই পেলেন না জয়ী পদ্ম প্রার্থীরাও। রাজ্যের বিভিন্ন দিক থেকে শুধুই আসছে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর। ইতিমধ্যে রাজ্যে একাধিক মৃত্যুর খবর মিলেছে। হেল্পলাইন নাম্বার চালু করেছে বিজেপি।আর এই উত্তেজক পরিস্থিতিতে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে, হিংসা রুখতে আগামী ১০ দিনের জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মোতায়েন থাকবে ১০৫ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী।
প্রসঙ্গত বাংলার সঙ্গে আরও তিনটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচন হয়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি দফায় নির্বাচন হয় বাংলায়। হিংসা রুখতে ও ভোটের স্বচ্ছতা রাখতে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
চতুর্থ দফার ভোটে কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু ছাড়াও সেখানেই এক বিজেপি সমর্থক যুবকের মৃত্যু হয় তৃণমূলের গুলতে। এছাড়া বাকি দফাগুলি ছিল মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে মোট ১০৫ কোম্পানি বাহিনী আগামী ১০ দিনের জন্য মোতায়েন থাকবে। বাকি বাহিনী ফেরত চলে যাবে তাদের ব্যাটেলিয়নে।