বাকি ধৃত তৃণমূল নেতারা তো নস্যি! প্রথমেই সেঞ্চুরি শাহজাহানের, সন্দেশখালির ‘বাঘ’-এর ১৩৭ কোটি টাকার হদিশ পেল ইডি

যে সমস্ত তৃণমূল নেতা বর্তমানে জেলবন্দি, তারা তো সব শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) কাছে নস্যি বলা যায়! প্রথম দিনেই তাঁর দুর্নীতির সংখ্যা একশো পেরিয়ে গেল। চিংড়ি মাছের ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি টাকা কালো থেকে সাদা করেছেন শাহজাহান (Sheikh Shah Jahan), এমনটাই খবর ইডি সূত্রে। মাছের রফতানির কাজ করে, এমন সংস্থার মাধ্যমে ওই টাকা ঢুকেছিল শাহজাহানের সংস্থায়।

কী জানা গিয়েছে শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) সম্পর্কে?

ইডি সূত্রে খবর, পাইকারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Shah Jahan)। তাঁর নিয়ন্ত্রিত সংস্থা হল এসকে সাবিনা ফিশারি। ম্যাগনাম এক্সপোর্টসের মাধ্যমে ওই সংস্থায় ১০৪ কোটি টাকা ঢুকেছিল ২০১২ থেকে ২০২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে। আবার ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে অনুপ কুমার সোম নামে এক ব্যবসায়ীর থেকেও ওই সংস্থায় ৩৩ কোটি টাকা ঢুকেছিল।

ইডির দাবী, চিংড়ি মাছ কেনাবেচার ভুয়ো বিল বানিয়ে এই ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছিল। তদন্ত আরও এগোলে আরও অনেক তথ্য মিলবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

বলে রাখি, শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) বিরুদ্ধে এক অন্য মামলায় তদন্ত শুরু করেছিল ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় শাহজাহানের বাড়ি তল্লাশিতে গিয়ে হামলার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। তবে ধীরে ধীরে তদন্ত করতে করতেই বিষয়টি মোড় নেয় অন্যদিকে। ইডির হাতে আসতে থাকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।    

মার্চের মাঝামাঝি সময়ে শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি মামলার তদন্ত শুরু করে ইডি। সেই সময় সন্দেশখালির নানান জায়গায় হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। ধামাখালির কাছে মাছের পাইকারি বাজারে চলে তল্লাশি। শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধেও চলে তল্লাশি। এই ব্যবসায়ীদের অনেকেই চিংড়ি মাছের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মাছের ব্যবসার মাধ্যমেই কালো টাকা সাদা করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

আরও অন্যান্য খবর