গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আসানসোল সংশোধনাগারেই রয়েছেন বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এবার তাঁকে জেরা করার জন্য আজ, বৃহস্পতিবার আসানসোল আসছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
জানা গিয়েছে, আজই ইডির একটি দল অনুব্রতকে গরু পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসানসোল আসছে। এর আগে গত ১৭ই অক্টোবর অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসানসোল এসেছিল ইডি। কিন্তু পরে আইনি জটিলতার কারণে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয় সায়গলকে। গ্রেফতার করা হয় তাকে। এরপর ৪ই নভেম্বর সায়গলকে তিহার জেলে পাঠানোর আবেদন জানায় ইডি। আদালতের তরফে সেই আবেদন মঞ্জুরও করা হয়।
এই ঘটনার মাসখানেকের মধ্যেই ফের ইডি আসছে আসানসোলে অনুব্রতকে জেরা করতে। তাঁকেও কী তাহলে তাঁর দেহরক্ষীর মতো দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে, এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
বলে রাখি, গত ১১ই আগস্ট বোলপুরের নিচুপট্টির বাড়ি থেকে গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। এরপর থেকেই আদালতের নির্দেশে আসানসোলের সংশোধনাগারে রয়েছেন তিনি। একাধিকবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে নানান কারণে।
গত ১১ই নভেম্বর তাঁর মামলার শুনানি ছিল। কিন্তু এদিনও ফিরহাদ হাকিমের এক মন্তব্যের কারণ দর্শিয়ে খারিজ করা হয় অনুব্রতর জামিনের আবেদন। ফিরহাদ হাকিম অনুব্রতকে ‘বাঘ’ বলে সম্বোধন করে বলেছিলেন যে বাঘ খাঁচা থেকে বেরোলেই সব শিয়ালরা পালাবে। ইডি তাঁর এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই অনুব্রতর জামিন খারিজের আবেদন জানায়। যা মঞ্জুর করে আদালত।





