Error in numbers of Madhyamik Students: গত মে মাসে প্রকাশিত হয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। অনেকেই খাতা স্ক্রুটিনি করতে দিয়েছিল। এবার সামনে এল রিভিউয়ের ফলাফল। মেধা তালিকায় চারজনের স্থান পরিবর্তন হল খাতা রিভিউ করার পর। ১২ হাজার খাতায় নম্বর যোগে ভুলের কথা সামনে এসেছে (Error in numbers of Madhyamik Students)। আর এরপরই শিক্ষা মহলে তুমুল হইচই।
চলতি বছরেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছে ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের। সুপ্রিম কোর্ট এই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। এরপরই প্রশ্ন উঠেছিল, তাহলে কী চাকরি বাতিল যাওয়া শিক্ষকরা এবারের মাধ্যমিকের খাতা দেখেছেন। এরপরই সামনে এল এই রিভিউয়ের ফলাফল (Error in numbers of Madhyamik Students)।
১২ হাজার ৪৬৮টি উত্তরপত্রে নম্বর যোগে ভুল সামনে এসেছে (Error in numbers of Madhyamik Students)। কোনও পরীক্ষার্থীর তো ২২ নম্বরও বেড়েছে। আর এরফলে মেধা তালিকায় এসেছে বড় বদল। চারজন স্থান পেয়েছে মেধা তালিকায়। প্রথম দশের মধা তালিকায় ঢুকে পড়েছে আরও সাতজন পরীক্ষার্থী।
আজ, শুক্রবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় এই খাতা রিভিউয়ের কথা জানান। তিনি জানান, ষষ্ঠ থেকে চতুর্থে উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অলিভ গায়েন। আবার দক্ষিণ দিনাজপুরের সপ্ত দে সপ্তম থেকে উঠে এসেছে পঞ্চমে। এই একই জেলার আবৃত্তি ঘটক সপ্তম থেকে ষষ্ঠে স্থানে উঠে এসেছে। আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঋতব্রত নাথ উঠে এসেছে নবম থেকে সপ্তম স্থানে। এই ভুল নিয়ে পর্ষদের সাফাই, “এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এটা একেবারেই কাম্য নয়” (Error in numbers of Madhyamik Students)।
বলে রাখি, চলতি বছর মাধ্যমিক শুরু হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি। শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। আগে পরীক্ষা শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ হত। মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছিল আগামী ১২ মে। তবে তার আগেই ফল প্রকাশ করেছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮০ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হয়েছিল। এই বছর রাজ্যে ন’লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক দিয়েছিল। আর মাধ্যমিকে পাশ করেছে ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন (Error in numbers of Madhyamik Students)।





