বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার অজানা জ্বরে শিশু মৃত্যু নিয়ে সরব হলেন জগদীপ ধনখড়। তাঁর মতে, রাজ্যকে একাধিকবার বলা হয়েছে যে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দিকে জোর দিতে, কিন্তু তা হয়নি।
ধনখড়ের মন্তব্যের পরই তাঁকে পাল্টা আক্রমণ করে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেব যে রাজ্যপালের উচিত উত্তরপ্রদেশে গিয়ে এই পরামর্শ দেওয়া। যেখানে অক্সিজেনের অভাবে শিশুদের প্রাণ যায়। এর থেকেই ফের শুরু হল নবান্ন-রাজভবন সংঘাত।
আরও পড়ুন- মোদীর ৭১-এ পা! প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে রেকর্ড টিকাকরণের পাশাপাশি একঝাঁক পরিকল্পনা বিজেপির
আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭১তম জন্মদিন। এই কারণে রাজভবনের উদ্যানে আজ, শুক্রবার বৃক্ষরোপণ করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেই সময়ই উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমি একাধিকবার এই বিষয়ে দৃষ্টিআকর্ষণ করেছি। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় আরও জোর দেওয়া দরকার। বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত পরিষেবাগুলিতে নজরদারির প্রয়োজন। আমি আশা করব, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো সুদৃঢ় হবে”।
এই মন্তব্যেরই পাল্টা মন্তব্য করে পরিবহণমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “রাজ্যেপাল মহোদয়কে বলব এই পরামর্শগুলি উনি যেন উত্তরপ্রদেশে দেন। যেখানে ১৬টা বাচ্চা অক্সিজেনের অভাবে মারা গিয়েছে। যেখানে শ্মশানের অভাবে গঙ্গায় দেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়। সেই জায়গায় উনি একটু বেশি করে পরামর্শ দিন। আমাদের এখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠিকই আছে”। যোগীর রাজ্যের এসব কথা প্রকাশ্যে নিয়ে আসায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মত, রাজ্যপালকে বার্তা দিতেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।
আরও পড়ুন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে করোনা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে নালিশ বিজেপির
বলে রাখি, গতকাল উত্তরবঙ্গে অজানা জ্বরে শিশু মৃত্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আর্জি জানান যাতে রাজ্যে বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়। এরপর এদিন রাতেই পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে রাজ্য সরকারের পরিকাঠামো নিয়ে সমালোচনাও করেন। ফেসবুকে এইসব কথা পোস্টও করেন তিনি। এবার এই একই পথে হাঁটলেন রাজ্যপালও।





