আর মাত্র দু’দিন। এরপরই রাজ্যের ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে উপনির্বাচন। শেষ মুহূর্তের প্রচার চলছে। আজ, সোমবারই প্রচারের শেষ দিন। ফলে প্রচারের দিক থেকে কোনও ফাক রাখতে চাইছে না কোনও রাজনৈতিক দলই। এবার এই প্রচারে গিয়েই বিজেপিকে ন্যে এক বড় দাবী করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর এই মন্তব্যে ভাঙন ধরতে পারেন পদ্ম শিবিরে।
আগামী ১৩ নভেম্বর বুধবার রাজ্যের ৬ বিধানসভা কেন্দ্র অর্থাৎ নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর, তালডাংরা, সিতাই এবং মাদারিহাট কেন্দ্রে রয়েছে উপনির্বাচন। চলছে জোরকদমে প্রস্তুতি। গকাল, রবিবার তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনি সিংহবাবুর সমর্থনে প্রচারে গিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেখানেই এক বিস্ফোরক দাবী করলেন তিনি।
এদিন ফিরহাদ বলেন, “বিজেপি বিধায়কদের অনেকেই বলছেন তৃণমূলে থাকতে পারছেন না। তৃণমূলে যোগ দিতে চেয়ে তাঁরা রোজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আসছেন”।
প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জিতেছিল। তবে বিজেপির ভরাডুবির পর থেকে একাধিক বিধায়কই দল ছেড়ে তৃণমূলে গয়ে ভিড়েছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই এদিন ফিরহাদ বলেন, “৭৭ জনের মধ্যে অনেকেই তৃণমূলে এসেছেন। শুভেন্দুর সঙ্গে যে ৫০-৬০ জন বিধায়ক রয়েছেন তাঁদের মধ্যেই অনেকে দল বদলাতে চাইছেন”।
ফিরহাদের এহেন মন্তব্যের জেরে পদ্ম শিবিরে ভাঙন ধরতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ফিরহাদ এও বলেন, “এখনই বিজেপির কোনও বিধায়ককে তৃণমূলে নেওয়া হবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, এখন দরজা বন্ধ”।
আরও পড়ুনঃ লুটিয়ে পড়ে রয়েছে মূর্তি, ফাটানো হল মুখ, কলকাতা মেডিক্যালে ভাঙা হল তিলোত্তমার প্রতীকী মূর্তি, কারা করল এমন জঘন্য কাজ?
তবে উপনির্বাচন আবহে ফিরহাদের এহেন দাবী যে বশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে বেড়েছে কৌতূহল। যদিও গেরুয়া শিবির ফিরহাদের এই দাবীকে আমল দিতে রাজি নয়। তাদের পাল্টা দাবী, বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য এমন মনগড়া দাবী করছেন তৃণমূল মন্ত্রী।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!