গত শুক্রবারই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পরই রাজ্যে লাগু হয়েছে নির্বাচনের বিধি। কিন্তু সেই নির্বাচনের বিধি লঙ্ঘন করার অভিযোগ উঠল কলকাতার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে।
রাজ্যে ইতিমধ্যেই লাগু হয়েছে মডেল অফ কন্ডাক্ট। এই নিয়ম অনুসারে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর কোনওভাবেই জাতি বা সাম্প্রদায়িক অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে কোনও প্রচার করা যাবে না। অর্থাৎ, মন্দির, চার্চ, মসজিদ বা অন্য কোনও ধার্মিক স্থলকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু সেই নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন ফিরহাদ হাকিম। গতকাল, শনিবার এক মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক ভাষণ দিতে শোনা যায় তাঁকে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ চ্যানেল তাদের এক্সক্লুসিভ স্টোরিতে জানিয়েছে যে ফিরহাদ হাকিম মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক স্লোগান দেন। তৃণমূল এমনিই চিরকাল মুসলিম ভোটকে ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে। আরও একবার ফের সেই মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলতে ১৯ বছর আগেকার গুজরাট দাঙ্গার কথা মনে করালেন ফিরহাদ।
উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়ে ফিরহাদ বলেন, ২০০২ সালের দাঙ্গাকে পশ্চিমবঙ্গে পুনরাবৃত্তি করার অনুমতি দেওয়া যাবে না। তিনি মসজিদে উপস্থিত মুসলিমদের কাছে এও অনুরোধ করেন তারা যেন বিজেপিকে ভোট না দেয়।
এছাড়াও, এদিন মসজিদে ফিরহাদ হাকিম বলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বাংলায় ক্ষমতায় এলে ইমামদের জন্য যে ভাতা দেওয়া হয়, তা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি এও আশ্বাস দেন যে রাজ্যের মৌলবাদীদের আয় বৃদ্ধিও করবে সরকার।
আরও পড়ুন- ৭ই মার্চ ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই কী তবে গেরুয়া শিবিরে সুজিত বসু? বাড়ছে উদ্বেগ
কিন্তু তাঁকে যখন সেই সংবাদ চ্যানেলের তরফে প্রশ্ন করা হয় যে তিনি নির্বাচনী বিধি কেন লঙ্ঘন করেছেন, তখন তিনি সম্পূর্ণ অন্য কথা বলেন। তিনি বলেন যে তিনি নাকি শুধুমাত্র মসজিদে প্রার্থনা করতেই এসেছিলেন।





