পুলিশ আর আবাসন দফতরের একাংশ টাকা তোলে আর বদনাম হয় কাউন্সিলরের। গতকাল, শনিবার ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠানে শহরের বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কার্যত কাউন্সিলরদের হয়ে কথা বললেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
এদিন তিনি জানান যে শহরে বেআইনি নির্মাণ হলে তার জন্য সবসময় কাউন্সিলরদের দায়ী করা হয়, কিন্তু তেমনটা উচিত নয়। তাঁর অভিযোগ, এর জন্য অন্যরাই দায়ী। এমনকি, এদিন পরোক্ষভাবে তাদের হুঁশিয়ারিও শানিয়েছেন ফিরহাদ।
জনসংযোগ বাড়াতে ফের কলকাতা পুরসভার মেয়র হওয়ার পরই প্রত্যেক শনিবার ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠান শুরু করেন ফিরহাদ হাকিম। এই অনুষ্ঠানে মেয়রকে সরাসরি ফোন করে এক বাসিন্দা বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তোলেন।
তিনি জানান যে তাঁকে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছিল যে এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে, কিন্তু সময় কেটে গেলেও তা করা হয়নি। সেই একই অভিযোগ এবার সরাসরি মেয়রকে জানান তিনি। অভিযোগ করার পরও কেন অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি, তা সরাসরি জানতে চান ওই বাসিন্দা।
এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, “কলকাতা শহরের কোথাও বেআইনি নির্মাণ হলে তার অভিযোগ বা কাগজ কাউন্সিলের কাছে সবসময় এসে পৌঁছবে, তা নয়। এমনকি বৈধ বাড়ির ক্ষেত্রে সবসময় কাউন্সিলররা জানবে, সে রকমটাও ঘটে না। কোনও নির্মাণ বৈধ এবং কোনটা অবৈধ নির্মাণ তৈরি হচ্ছে, তা জানা কাউন্সিলরদের পক্ষে সম্ভব নয়”।
তাঁর সংযোজন, “আমি কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসেবে বলছি, এটা একমাত্র সম্পূর্ণভাবে জানতে পারে প্রশাসন। অর্থাৎ পুরসভার বিল্ডিং ডিপার্টমেন্টে। যদি বিল্ডিং ডিপার্টমেন্টে বলে, এটা বেআইনি হচ্ছে, তাহলে আমরা জেনে যাব যে এটা বেআইনি ভাবে তৈরি হয়েছে। সেখানে থানায় অভিযোগ জানানো হলে আমরা থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা নইলে কাউন্সিলর এ বিষয়ে কিছু জানতেই পারবে না। কাউন্সিলর পক্ষে সবটা জানা সম্ভব না”। এভাবেই কাউন্সিলরদের স্বপক্ষে সাওয়াল করলেন স্বয়ং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।





