ত্রিপুরার পর এবার তৃণমূলের নিশানায় গোয়া, আজই কংগ্রেস ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে পারেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

ছোটো ছোটো নানান রাজ্য দখলের মাধ্যমেই জাতীয় রাজনীতিতে ক্ষমতা বিস্তার করতে চাইছে তৃণমূল। এই কারণে এবার ত্রিপুরার পাশাপাশি গোয়াতেও সংগঠন বাড়াতে উদ্যত ঘাসফুল শিবির। এও জানা যাচ্ছে আগামী বছর সে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে জেতে পারেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ইতিমধ্যেই দল ভাঙানোর কাজও শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। শোনা যাচ্ছে আজ, সোমবারই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেসের অন্যতম শক্তি লুইজিনহো ফালেইরো। আজ বিকেলে তাঁর একটি সাংবাদিক বৈঠক করার কথা। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকেই তিনি দলবদলের কথা ঘোষণা করবেন।

আরও পড়ুন- ভবানীপুরে প্রচারে গেলে দিলীপ ঘোষের উপর হামলা, ঘাড় ধাক্কা তৃণমূলের, বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ

কংগ্রেস সূত্রের খবর, লুইজিনহোর এই সাংবাদিক বৈঠক নিয়ে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। এর জেরেই তাঁর তৃণমূলে যোগ দেওয়ার খবরে আরও জোর পড়েছে। তাঁর সঙ্গে নাকি দলের অনেকদিন ধরেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এদিকে গত শুক্রবারই গোয়া যান তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন ও প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবী, তারা লুইজিনহোকে তৃণমূলে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে আইপ্যাকের প্রায় ২০০ জন কর্মী সমীক্ষার কাজ চালিয়েছেন। প্রাথমিক সমীক্ষার পর একটি রিপোর্ট জমা দেয় তারা। এই রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা ও অন্যান্য আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথাবার্তা গত শুক্রবার গোয়ায় যান ডেরেক ও’ ব্রায়েন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন হাওড়ার লোকসভার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই সময়ই গোয়ার একাধিক নেতাকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে তৃণমূল।

গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জিতেছিল ১৭টি আসন। আর বিজেপি পেয়েছিল ১৪টি আসন। কিন্তু বেশি আসনে পাওয়ার পরও ক্ষমতা পায়নি কংগ্রেস। কারণ সেই সময় দল বদলে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে। এর ফলে ক্ষমতার মসনদে বসে গেরুয়া শিবির। এবার সেই গোয়াকেই পাখির চোখ করেছে তৃণমূল। আর কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীই হতে পারেন তৃণমূলের প্রথম শিকার।

আরও পড়ুন- স্লগ ওভারে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি, ভবানীপুরে প্রিয়াঙ্কার হয়ে প্রচারে নামছেন গেরুয়া শিবিরের ৮০ জন নেতা

সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনের আগে সে রাজ্যে প্রচারে যেতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে এই বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল নিজেই ময়দানে নামবে কী না, তা এখনও জানা যায়নি।

RELATED Articles