রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই নানান প্রান্ত থেকে অশান্তির অভিযোগ উঠে আসে। মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত তিনদিন ধরে উত্তপ্ত ভাঙড়। মুড়িমুড়কির মতো যেন বোমাবাজি হয়েছে। চলেছে গুলি। পঞ্চায়েতে এমন হিংসা নিয়ে এবার কড়া বিবৃতি জারি করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। আজ, শুক্রবারই উত্তপ্ত ভাঙড়ে যেতে পারেন তিনি।
মনোনয়ন পর্বে ভাঙড় ও চোপড়াতে যে অশান্তির ছবি দেখা গিয়েছে, তা নিয়ে গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে এক কড়া বিবৃতি জারি করেন রাজ্যপাল। তিনি বিবৃতিতে লেখেন, “গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদমাধ্যম আক্রান্ত হয়েছে। তার মানে গণতন্ত্র আক্রান্ত। শয়তানের খেলা শেষ হওয়া উচিত। পশ্চিমবঙ্গেই সেটার শেষের শুরু”।
তিনি আরও লিখেছেন, “যে কোনও মূল্যে সহিংসতা রুখতে হবে। গণতন্ত্রকে স্তব্ধ করার অনুমতি কাউকে দেওয়া হবে না। গণতন্ত্রে জনতাই প্রভু। নির্ভয়ে নিজের ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে তাঁদের। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে হিংসার কোনও জায়গা নেই”।
সি বি আনন্দ বোসের কথায়, “পঞ্চায়েতে জয় ভোট দিয়ে হোক, লাশের সংখ্যা দিয়ে নয়”। তাঁর সংযোজন, “পঞ্চায়েতে ভোট গ্রহণের আগেই যেভাবে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে তা ভয়াবহ। গুণ্ডা, সমাজবিরোধী, লম্পট, বাহুবলী, অন্ধকার জগতের শয়তান, বদমায়েশদের এই দৌরাত্ম্য বরদাস্ত করা হবে না”।
সূত্রের খবর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ, শুক্রবারই উত্তপ্ত ভাঙড়ে যেতে পারেন রাজ্যপাল। রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যপালের শুক্রবারের সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে রামনবমীর হিংসার ঘটনার পর এমনই তৎপরতা দেখিয়ে এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল। এবারও তেমনটাই হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও রাজ্যপালকে নিয়ে ভিন্ন সুর শোনা গেল শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের গলায়। শুভেন্দু রাজ্যপালকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্যপাল কেন নীরব, ওঁকে জিজ্ঞেস করুন। উনি রাজীব সিনহাকে আটকাতে পারতেন। যখন করার সুযোগ ছিল, তখন তিনি করেননি”। অন্যদিকে আবার সুকান্ত বলেন, “উনি বাইরে আছেন। আমার বিশ্বাস, আমি যতদূর ওঁকে চিনি। উনি কোনও না কোনও পদক্ষেপ নেবেন”।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!