মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশ সফরের আগেই নবান্নে মুখবন্ধ খামে গোপন চিঠি পাঠানো হয়েছিল রাজভবনের তরফে। সেই চিঠিতে আদতে কী লেখা ছিল, তা নিয়ে বেশ রহস্য তৈরি হয়। এবার এই নিয়ে কথা বললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। এই নিয়ে কথা বললেও রহস্য ভেদ কী শেষ পর্যন্ত হল?
রাজভবন ইতিমধ্যেই উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটির প্রতিনিধিদের তালিকা তৈরি করে ফেলেছে। আজ, শুক্রবার রাজ্যপাল জানান যে এই তালিকা শীঘ্রই তা সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা হবে। এই রাজ্য থেকেই এই সার্চ কমিটির সদস্যদের বাছাই করা হয়েছে নাকি এরা অন্য রাজ্যের, তা নিয়ে অবশ্য খোলসা করে কিছু বলেন নি সি ভি আনন্দ বোস।
নবান্নে পাঠানো চিঠি সম্পর্কে কী বক্তব্য রাজ্যপালের?
এদিন এই চিঠি প্রসঙ্গ উঠতে রাজ্যপাল বললেন, “ওই মিস্ট্রি এখন হিস্ট্রি”। অর্থাৎ চিঠির রহস্য এখন ইতিহাস। সি ভি আনন্দ বোসের কথায়, “রাজ্যপাল হিসাবে আমি আমার সম্মানিত মন্ত্রিসভাকে চিঠি লিখেছি। সেটা যদি কোনও এক পক্ষ সঠিক সময় মনে করে, তাহলে প্রকাশ্যে আনবে”।
এরপরই রাজ্যপাল বলেন যে ওই গোপন চিঠি এখন ইতিহাস। তাঁর ইঙ্গিত, ওই চিঠি নিয়ে এখন বেশি আলোচনা না করাই ভালো।
গত ৯ই সেপ্টেম্বর মাঝরাতে রাজ্য ও রাজনীতিতে শুরু হয়ে যায় নানান জল্পনা। এদিন মাঝরাতে দু’টি চিঠি পাঠানো হয়েছিল রাজভবন থেকে। একটি চিঠি যায় দিল্লিতে আর অপরটি যায় নবান্নে। সেই চিঠিতে ঠিক কী লেখা ছিল, তা নিয়ে নানান চর্চা শুরু হয়। কিন্তু এখনও সেই চিঠির রহস্য উদঘাটন হল না।
বলে রাখি, রাজ্যে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য ও রাজভবনের সংঘাত তুঙ্গে পৌঁছয়। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে বা রাজ্যের মনোনীত কাউকে উপাচার্য না করায় রাজ্যপালকে কটাক্ষ করা হয় রাজ্যের তরফে। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও। এরপরই নবান্নে যায় ওই চিঠি। তবে সেই চিঠি নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ রাজ্যপাল।





