কিছুদিন ধরেই সংবাদের শিরোনামে আবারও জায়গা করে নিয়েছে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের সংঘাত। তবে এবার বিরোধটা মুখ্যমন্ত্রীর সাথে নয় বরং শিক্ষামন্ত্রীর সাথে। সোমবার রাজ্য সরকারের পরামর্শ অগ্রাহ্য করে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য হিসেবে গৌতম চন্দ্রকে নিয়োগ করেছিলেন রাজ্যপাল, আজ তাঁকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিল রাজ্য সরকার। এরপর নতুন সহ উপাচার্যকে নিয়োগ করা হয় রাজ্য সরকারের তরফে। বৈঠকে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করে শিক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেন, সহ উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘রাজ্যপাল মস্তানসুলভ আচরণ করছেন’।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্য ও রাজ্যপালের মধ্যে নজিরবিহীন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রধান গৌতম চন্দ্রকে সহ উপাচার্য-এর পদমর্যাদা দেন রাজ্যপাল। আজ তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রধান আশিসকুমার পানিগ্রাহীকে সহ উপাচার্য হিসেবে নির্দিষ্ট করেন রাজ্য সরকার।
চলতি সংঘাতের মধ্যেই এদিন রাজ্যপালকে তীব্র আক্রমণ করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘রাজ্যপাল সহ উপাচার্যদের ফোন করে হুমকি দিচ্ছেন। বলছেন, দেখে নেব। শেষ করে দেব। তাঁর এই আচরণ একদমই রাজ্যপাল সুলভ নয় বরং মস্তানের মতো আচরণ করছেন উনি।‘
ওদিকে রাজ ভবন থেকে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে, যা হয়েছে, আইন ও সংবিধান মেনেই হয়েছে। আর সরকারের সব পরামর্শই যে রাজ্যপালকে মানতে বাধ্য থাকতে হবে এমনটাও নয়।





